যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের যে দুই নাগরিককে ভেনেজুয়েলা সরকার "অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছিল" তাদের মুক্তি দেয়া হয়েছে। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক মসৃণ করার আপাত প্রচেষ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি প্রতিনিধিদল দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি সফরের কয়েকদিন পর এ ঘটনা ঘটে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, ভেনেজুয়েলার রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানির যুক্তরাষ্ট্র শাখার নির্বাহী কার্ডেনাসকে ২০১৭ সালে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ফার্নান্দেজকে গত বছর "ভুয়া অভিযোগে" গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জিম্মি বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত রজার কারস্টেন্সের প্রতি এবং "আমাদের(যুক্তরাষ্ট্রের) সম্পূর্ণ কূটনৈতিক দলকে তাদের মুক্তি নিশ্চিত করতে এবং এই পরিবারগুলোকে পুনরায় একত্রিত করতে তাদের অক্লান্ত প্রচেষ্টার জন্য" বাইডেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
কার্স্টেন্স জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের পশ্চিমের সিনিয়র ডিরেক্টর জুয়ান গঞ্জালেজ এবং ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত জেমস স্টোরির সাথে যুক্ত হয়ে শনিবার ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর সরকারের সদস্যদের সাথে আলোচনায় যোগদানের পর এই মুক্তি আসে। এই সব বৈঠকের লক্ষ্য ছিল প্রধান তেল উৎপাদনকারীর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার সম্ভাবনা যাচাই করা।
এই সপ্তাহের শুরুতে একটি সংবাদ ব্রিফিংয়ে, হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি বলেছিলেন যে এই সফরের উদ্দেশ্য ছিল " অবশ্যই জ্বালানি শক্তি সুরক্ষাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা , এরমধ্যে আটককৃত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের স্বাস্থ্য ও কল্যাণ নিয়ে আলোচনার বিষয়টিও ছিল”।
যুক্তরাষ্ট্রের আরও বেশ কিছু নাগরিক ভেনেজুয়েলায় আটক রয়েছেন।