সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ কোটি ২০ লাখ যার মধ্যে মৃতের সংখ্যা ৬১ লাখ ৯০ হাজার। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ২ বছরেরও বেশি সময় আগে মহামারীর প্রথম দিন থেকে রেকর্ড করা কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যার মধ্যে এটিই সর্বনিম্ন।
তবে কিছু দেশে সংক্রমণের হার বৃদ্ধি এবং হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা বেড়ে যা্ওয়ার খবরে সংক্রমণ কমার সুখবরটি ম্লান হয়ে পড়ে। ডব্লিউএইচও মানুষের মধ্যে ক্রমবর্ধমান ক্লান্তি এবং আরও স্বাভাবিক জীবন পুনরায় শুরু করার ইচ্ছার কথা স্বীকার করে।
তবে ডব্লিউএইচও-র মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসাস সতর্ক করে দিয়েছেন যে, কোভিড পূর্ব স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবার সময় এখনও আসেনি। তিনি বলেছেন, এ সপ্তাহে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জরুরি কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে একমত হয়েছেন যে, আন্তর্জাতিকভাবে কোভিড-১৯ জনস্বাস্থ্য সংকট হিসেবেই রয়ে গেছে।
টেড্রোস বলছেন, এই রোগ পরীক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাওয়ায় করোনা ভাইরাস সংক্রমণের গতিপথ নিরীক্ষা করা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও বলেন, টেস্টিং ও কন্টাক্ট ট্রেসিং ভাইরাসের বিস্তার বন্ধ করতে সাহায্য করে এবং এগুলো ছাড়া জীবন বাঁচানো কঠিন হবে।
টেড্রোস বলেছেন, কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে সর্বোত্তম সুরক্ষা হলো টিকা নেয়া এবং সুপারিশ করা হলে বুস্টার ডোজ নেয়া। তিনি সবসময় বিশেষত বদ্ধ ও ভিড়পূর্ণ জায়গায় মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান জানান।