রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রক শনিবার জানায় যে তারা দেশটিতে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী লিজ ট্রাস, প্রতিরক্ষামন্ত্রী বেন ওয়ালেস এবং ব্রিটিশ সরকারের আরও ১০ জন সদস্য ও রাজনীতিবিদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছে।
এক বিবৃতিতে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রক জানায় “ব্রিটেনের সরকার কর্তৃক নজিরবিহীন শত্রুভাবাপন্ন কর্মকাণ্ড, বিশেষ করে রাশিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের পরিপ্রেক্ষিতে” এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারা আরও জানায় যে তালিকাটি শীঘ্রই আরও দীর্ঘ করা হবে।
ক্রেমলিন জনসনকে “রুশবিরোধী দৌড়ে সবচেয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী” হিসেবে বর্ণনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী জনসন ইউক্রেনের সবচেয়ে একনিষ্ঠ সমর্থকদের একজন।
এক সপ্তাহ আগে জনসন কিয়েভ সফর করেন। সফরকালে তিনি এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি রাশিয়ার আক্রমণ আরম্ভ হওয়ার পর থেকে সহযোগিতার জন্য একে অপরের প্রশংসা করেন। আক্রমণটিকে রাশিয়া একটি “বিশেষ অভিযান” হিসেবে বর্ণনা করে থাকে।
জনসন ও ব্রিটেনের অন্যান্য রাজনীতিবিদদের নিষিদ্ধ করার মস্কোর সিদ্ধান্তটির জবাবে, ব্রিটিশ সরকারের একজন মুখপাত্র বলেন, “ইউক্রেনে রাশিয়ার সরকারের নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানাতে এবং যুদ্ধটি বন্ধ করতে ক্রেমলিনের প্রতি আহ্বান জানাতে, ব্রিটেন ও আমাদের আন্তর্জাতিক সহযোগিরা ঐক্যবদ্ধ।”
ঐ মুখপাত্র আরও বলেন, “ইউক্রেনের প্রতি আমাদের সমর্থনের ক্ষেত্রে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।”