শ্রীলংকার কর্মকর্তারা মঙ্গলবারের পুলিশ এবং সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীদের মধ্যকার সংঘর্ষের তদন্ত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে । একজন বিক্ষোভকারীর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে মঙ্গলবারের বিক্ষোভ শেষ হয়।
বিক্ষোভকারীরা রাজধানী কলম্বো থেকে ৯০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত রামবুক্কানা শহরে একটি রেললাইন অবরোধ করেছিল । বিক্ষোভকারীরা একটি জ্বালানী ট্যাঙ্কার যাবার পথে বাধা দিলে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে গুলি চালায়।
মঙ্গলবারের সংঘর্ষে অন্তত ১৩ জন বিক্ষোভকারী আহত হয়েছেন। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
বিপুল ঋণের ভার এবং হ্রাসপ্রাপ্ত বৈদেশিক রিজার্ভ নিয়ে দক্ষিণ এশীয় দ্বীপরাষ্ট্রটি লড়াই করছে। এর ফলে ওষুধ, খাদ্য এবং জ্বালানির গুরুতর ঘাটতি তৈরি হয়েছে যার ফলে দেশটিতে জ্বালানি ও পরিবহন বৃদ্ধি পেয়েছে এবং প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা দেশটি বিদ্যুৎবিহীন থাকে।
কোভিড-১৯ মহামারি শ্রীলংকার অত্যাবশ্যক পর্যটন শিল্পকেও স্থবির করে দিয়েছে যা দেশটির অর্থনীতিতে অতিরিক্ত আঘাত হেনেছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে শ্রীলংকা জুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে, বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে ও তার ভাই প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দা রাজাপাকসের পদত্যাগের দাবি জানাচ্ছে।
শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ঋণ পুনর্গঠন কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের সাথে আলোচনার কারণে সমস্ত বিদেশী ঋণ পরিশোধ স্থগিত করেছে।