দক্ষিণ কোরিয়ার নতুন প্রেসিডেন্ট পদে দায়িত্ব নিয়ে রক্ষণশীল রাজনীতির নতুন মুখ ইউন সুক ইওল দেশটির জন্য হুমকিস্বরূপ উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচিকে আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করার সংকল্প ব্যক্ত করেছেন। পিয়ংইয়ং যদি তার পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগ করে তাহলে উত্তর কোরিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য “একটি সাহসী পরিকল্পনার” প্রস্তাব তিনি দিলেন।
ইউনের জন্য উত্তর কোরিয়ার অগ্রসরমান পারমাণবিক কর্মসূচি একটি নিরাপত্তার উদ্বেগজনক চ্যালেঞ্জ। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার ৭০ বছরের সামরিক জোটকে শক্তিশালী করার এবং উত্তর কোরিয়ার হুমকিকে নিষ্ক্রিয় করার জন্য নিজস্ব ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ৯ মার্চের নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে দক্ষিণ কোরিয়া,জাপান, যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডে আঘাত হানতে সক্ষম পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বিস্তৃত পরীক্ষা শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। পিয়ংইয়ং তাদের অস্ত্রাগারের আধুনিকীকরণ এবং তাদের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞাগুলো শিথিল করার জন্য বাইডেন প্রশাসনকে চাপ দেয়ার মাধ্যমে ইউনের সরকারকে বিচলিত করার চেষ্টা করছে বলে মনে হচ্ছে।উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন সম্প্রতি হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন যে, তার জাতীয় স্বার্থ হুমকির মুখে পড়লে যুদ্ধ প্রতিরোধের প্রাথমিক লক্ষ্যে তার পারমাণবিক অস্ত্র সীমাবদ্ধ থাকবে না।
মঙ্গলবারের শুরুতে এক নীতি নির্ধারনী বক্তব্যে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউনকে দেশটির সামরিক প্রধান ওয়ান ইন-চৌল এক ভিডিও কনফারেন্সে বলেছিলেন যে, কিম সিদ্ধান্ত নিলে উত্তর কোরিয়া পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে প্রস্তুত। ইউন তখন সামরিক কমান্ডারদের দৃঢ় প্রস্তুতি বজায় রাখার নির্দেশ দিয়ে বলেন, “কোরীয় উপদ্বীপে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খুবই গুরুতর।“
মুনের রাজনৈতিক মিত্রদের সাথে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে পদত্যাগ করার আগে এবং গত বছর প্রধান রক্ষণশীল বিরোধী দলে যোগ দেয়ার আগে মুনের প্রসিকিউটর-জেনারেল ছিলেন ৬১ বছর বয়সী ইউন।