যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা চায় বাংলাদেশ

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ডব্লিউ ফার্নান্দেজ , পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের অগ্রাধিকারমূলক বাজার প্রবেশাধিকার প্রদানের জন্য, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

সালমান এফ রহমান উৎপাদন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরে, যুক্তরাষ্ট্রের বর্ধিত বিনিয়োগ এবং অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (ডিএফসি) তহবিল চেয়েছেন।

শুক্রবার (৩ জুন) ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, রহমান দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির প্রধান উপাদান হিসেবে, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ওপর জোর দেন।

সালমান এফ রহমান, যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগকারীদের জন্য ডেডিকেটেড অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের ব্যাপারে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন।

সালমান এফ রহমান, বাংলাদেশের হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ করতে, যুক্তরাষ্ট্রের আইটি কোম্পানিগুলোকে উৎসাহিত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন,‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুসংহত নীতির ধারাবাহিকতা, গত ১৩ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব আর্থ-সামাজিক অগ্রগতির চাবিকাঠি।’

বৃহস্পতিবার (২ জুন) ওয়াশিংটন ডিসিতে, যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিতীয় হাই-লেভেল ইকোনমিক কনসালটেশনে তারা এ বিষয়ে আলোচনা করেন।

সালমান এফ রহমান এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশ বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি ডব্লিউ ফার্নান্দেজ আলোচনায় যৌথভাবে সভাপতিত্ব করেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলে শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমেদ কায়কাউস, শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন,বেগম শামসুন নাহার, এম শহীদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত উপস্থিত ছিলেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার উপ-সহকারী সচিব রাষ্ট্রদূত কেলি কেইডারলিং, সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি ক্রিস্টোফার উইলসন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক ডেপুটি আন্ডার সেক্রেটারি, শ্রম দপ্তর থিয়া লি এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সভায়, যুক্তরাষ্ট্রের আন্ডার সেক্রেটারি জোসে ডব্লিউ ফার্নান্দেজ, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং কোভিড-১৯ টিকাদানে অসাধারণ সাফল্যের প্রশংসা করেন।