যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীদের একটি অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন অনুসারে, তালিবান যোদ্ধারা কাবুলের কাছাকাছি পৌঁছানোর পরে আফগানিস্তানের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট এবং তার জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টারা লক্ষ লক্ষ ইউএস ডলার বোঝাই হেলিকপ্টারে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার খবর অতিরঞ্জিত বলে মনে হচ্ছে।
আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি এবং জ্যেষ্ঠ সহকারীরা চলে যাওয়ার একদিন পর অর্থাৎ ১৬ আগস্ট কাবুলে রাশিয়ার দূতাবাস প্রথমে তাদের বিরুদ্ধে নগদ অর্থ চুরির অভিযোগ তুলেছিল। তারা আরআইএ নিউজ এজেন্সিকে জানায় যে, প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নগদ ১৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার ভর্তি ৪টি গাড়ি এবং ১টি হেলিকপ্টার নিয়ে দেশ ছেড়েছেন।
মঙ্গলবার প্রকাশিত যুক্তরাষ্ট্রের স্পেশাল ইন্সপেক্টর জেনারেল ফর আফগানিস্তান রিকন্সট্রাকশন (সিগার ) –এর অন্তর্বর্তী প্রতিবেদন ঘানির কোনো বক্তব্য বা ব্যাখ্যা ছাড়াই সংকলিত হয়েছে। ঘানি এখন পর্যন্ত একাধিক প্রশ্নের উত্তর দেননি।
অন্যান্য ৩০ জনেরও বেশি প্রাক্তন আফগান কর্মকর্তা যাদের মধ্যে অনেকেই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন তারা যুক্তরাষ্ট্রের তদন্তকারীদের বলেছেন যে, প্রেসিডেন্টের বাসভবন থেকে পালিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত অন্তত ৩টি হেলিকপ্টারে সবচেয়ে কমসংখ্যক লাগেজ ছিল।
শুধুমাত্র প্রেসিডেনশিয়াল প্রোটেক্টিভ সার্ভিসের প্রধান জেনারেল কাহার কোচাইয়ের একটি স্যুটকেস এবং ডেপুটি ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজার রাফি ফাজিলের একটি ব্যাকপ্যাকে নগদ অর্থ ছিল বলে তারা জানায়। সিগার অনুমান করেছে যে, ব্যাগে মোট ৪ লাখ ৪০ হাজার ডলার সমমূল্যের অর্থ ছিল।
বাকি নগদ অর্থ কর্মকর্তাদের কাছে ছিল।