বুধবার সিঙ্গাপুরে ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ-এ একটি প্রধান নীতি বিষয়ক ভাষণে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং বলেন, রাশিয়ার ওপর “প্রভাব” আছে এমন বৃহৎ দেশগুলোর ইউক্রেনের যুদ্ধ শেষ করার জন্য সে প্রভাব ব্যবহার করা উচিত।
এই আগ্রাসনকে “প্ররোচনাহীন”, “অবৈধ” , “অনৈতিক” এবং “অমানবিক” হিসেবে বর্ণনা করে ওং চীনকে ইউক্রেনের সংঘাতের অবসানে সাহায্য করার জন্য অনুরোধ করেন। চীন এখন পর্যন্ত ইউক্রেনে রাশিয়ার আক্রমণের কোনো নিন্দা জানায়নি।
অস্ট্রেলিয়া রাজনীতিবিদ এবং সামরিক সদস্যসহ রুশ কর্মকর্তাদের ওপর ঢালাও নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।
সিঙ্গাপুরে ওং সাংবাদিকদের বলেন, অস্ট্রেলিয়ার নতুন মধ্য-বামপন্থি প্রশাসন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় আঞ্চলিক অংশীদারদের আরও বেশি পদক্ষেপের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চীনের সাথে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের অবনতি নতুন মাত্রায় রূপ নিয়েছে। মানবাধিকার, হংকং-এ গণতন্ত্র এবং দক্ষিণ চীন সাগরে বেইজিং-এর আঞ্চলিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে বিরোধ রয়েছে। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত তত্পরতাকে এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টাকে ঘিরে এ বছর বেশ বিরোধ দেখা দিয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার লেবার পার্টির সরকার পূর্ববর্তী মধ্য-ডানপন্থি প্রশাসনের চীনের প্রতি পুনরাবৃত্তিমূলক বিদ্বেষপূর্ণ স্বর ত্যাগ করতে চায়।
\ওয়াং আরও বিবেচনাপ্রসূত পথে চলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে এই সপ্তাহে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করতে পারেন।