বাল্যবিয়েতে জড়িত থাকার অভিযোগে বাগেরহাটে নিবন্ধক ও ২ অভিভাবকের কারাদণ্ড

বাল্যবিয়েতে জড়িত থাকার অভিযোগে বাগেরহাটে নিবন্ধক ও ২ অভিভাবকের কারাদণ্ড

বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলা সদরের নাগেরবাজার এলাকায় বাল্যবিয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিবাহ নিবন্ধক এবং ছেলে ও মেয়ের দুই অভিভাবককে ছয়মাসের কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শুক্রবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে ৯টার দিকে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম নাগেরবাজার এলাকার বিবাহ নিবন্ধকের অফিসে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান চলাকালে বাল্যবিয়ে নিরোধ আইনে তিনজনকে ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন; বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকার বিবাহ নিবন্ধক আতাউল বারী, অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়ের বাবা সদর উপজেলার ফতেপুর গ্রামের কবির সরদার এবং অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলের বাবা গোবরদিয়া এলাকার সজিব হাওলাদার।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম জানান, “নাগেরবাজার বিবাহ নিবন্ধক অফিসে বাল্যবিবাহ দেয়া হচ্ছে এমন খবর পেয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। সেখানে গিয়ে দেখা গেছে, নিবন্ধক আতাউল বারী এসএসসি পরীক্ষার্থী ১৭ বছর বয়সের এক মেয়ে ও ২০ বছর বয়সী এক ছেলের বিয়ে দিচ্ছেন।”

মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলাম জানান, “বাল্যবিয়ে নিরোধ আইন ২০১৭ এর আওতায়, নিবন্ধক আতাউল বারী এবং ছেলে ও মেয়ের অভিভাবকদের ছয়মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। দণ্ডাদেশপ্রাপ্ত তিনজনকে রাতেই বাগেরহাট জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।”

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মুছাব্বেরুল ইসলামের তথ্য মতে, গত এক বছরে সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ২০টি বাল্যবিবাহ বন্ধ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বাগেরহাট জেলা, একটি বাল্যবিবাহ প্রবণ এলাকা।