সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে ওয়াশিংটনের সমালোচনা করে বলা হয়েছে, গত এক দশক ধরে যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়ার প্রতি তাদের সম্পর্কে “ন্যায়পরায়ণ অসন্তোষ” এবং “গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ ও বাস্তবসম্মত যোগাযোগের” মধ্যে বিভাজিত। কম্বোডিয়ার মানবাধিকার রেকর্ড উন্নত করতে এবং দেশটিকে গণতান্ত্রিক পথে ফিরিয়ে আনার জন্য দেশটির ওপর যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ।
২০১৭ সালের নভেম্বরে দেশটির বিরোধী দল কম্বোডিয়া ন্যাশনাল রেসকিউ পার্টি (সিএনআরপি) বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র কম্বোডিয়ায় কাঠামোগত দুর্নীতি, গণতন্ত্রকে ক্ষুণ্ন করার জন্য এবং মানবাধিকার এবং ইউনিয়ন অধিকারের ক্রমাগত লঙ্ঘনের জন্য কম্বোডিয়ার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা শুরু করে।
কম্বোডিয়ার সরকার বলেছে, তাদের পররাষ্ট্র নীতি হলো, সমস্ত দেশের সাথে বন্ধুত্ব করা, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বেছে নেয়া নয়।
কম্বোডিয়া সরকারের মুখপাত্র ফে সিফান বলেছেন, কম্বোডিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দীর্ঘদিনের।
সিএসআইএস প্রতিবেদন নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বের জন্য অপেক্ষা না করে যত দ্রুত সম্ভব কম্বোডিয়ার জন্য উদ্ভাবনী এবং গঠনমূলক নীতি তৈরি করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের নীতিনির্ধারকদের আহ্বান জানিয়েছে কারণ চীন থেকে তারা মুখ ফিরিয়ে নেবে এমন কোনো নিশ্চয়তা নেই।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক কমিটি ১৯ জুলাই কম্বোডিয়া গণতন্ত্র ও মানবাধিকার আইন ২০২১ পাস করেছে। এটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন এবং কম্বোডিয়ায় গণতন্ত্র, রাজনৈতিক স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার পুনরুদ্ধারের প্রচার করে। বিলটিতে এমন ব্যক্তিদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানানো হয়েছে যারা যুক্তরাষ্ট্রে সম্পদ জব্দ করে এবং যেকোনো প্রবেশ ভিসা প্রত্যাহার করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।