জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা মঙ্গলবার দখলকৃত পশ্চিম তীরের মাসাফের ইয়াত্তা গ্রামে মানবাধিকার রক্ষাকারী ও মানবতাবাদী কর্মীদের প্রতি ইসরাইলের "হয়রানির" নিন্দা জানিয়েছেন। সেখানে ইসরাইলের একটি সামরিক অঞ্চল রয়েছে।
এই বিশেষ প্রতিবেদকরা জোর দিয়ে বলেন যে, এই ধরনের হয়রানি অবশ্যই বন্ধ করতে হবে। এখানে বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে জোরপূর্বক উচ্ছেদ এবং নির্বিচারে স্থানচ্যুতির হুমকির ভয় রয়েছে।
চারজন বিশেষজ্ঞ একটি যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, ‘ ইসরাইলি কর্তৃপক্ষের’ সীমাহীন উদাসীনতাই প্রমাণিত হচ্ছে। এমনকি তারা ‘মাসাফের ইয়াত্তায়’ গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের মুখোমুখি হওয়া লোকদের সমর্থন ও সুরক্ষার জন্য থাকা মানবাধিকার কর্মী এবং মানবতা কর্মীদের হয়রানি করছে।
তারা বলেন, ‘‘এটি মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের মূল ভিত্তির ওপর সরাসরি হামলা। নিশ্চিতভাবে এটি ক্ষমতার অপব্যবহার করে দায়মুক্ত থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারকেই কেবল উত্সাহিত করা।’’
মাসাফার ইয়াত্তার ঘটনা - বা ফায়ারিং জোন 918 – যা হেব্রনের কাছাকাছি একটি কৃষি এলাকা, ইসরাইলের দীর্ঘতম চলমান আইনি লড়াইগুলির মধ্যে একটি।
১৯৮০-এর দশকের গোড়ার দিকে সেনাবাহিনী ৩০-বর্গ কিলোমিটার (১২-বর্গ মাইল) অঞ্চলটিকে একটি সীমাবদ্ধ সামরিক এলাকা হিসাবে ঘোষণা করে এবং দাবি করে যে এটি জনবসতিহীন ছিল।
গ্রামের বাসিন্দারা প্রায় ২০ বছর ধরে তাদের উচ্ছেদের জন্য ইসরাইলি সরকারের প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আদালতে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
কিন্তু চলতি বছরের মে মাসে ইসরাইলের উচ্চ আদালত সামরিক প্রশিক্ষণ অঞ্চলের জন্য পথ তৈরি করতে ফিলিস্তিনি গ্রামবাসীদের উচ্ছেদের অনুমোদন দেয়।
দখলকৃত ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে মানবাধিকার, পর্যাপ্ত বাসস্থান, অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তি এবং মানবাধিকার রক্ষাকারীদের বিষয়ে বিশেষ দূতরা একটি বিবৃতিতে বলেন, ‘তল্লাশি চৌকিতে প্রায়শই কয়েক ঘণ্টা ধরে তাদের আটকে রাখা হয়েছে এবং তাদের শনাক্তকরণ নথি বা গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, এই কারণে যে তারা অনুমতি ছাড়াই একটি বন্ধ সামরিক সাইটে প্রবেশ করেছে।’