ব্লিংকেন কঙ্গোতে পৌঁছেছেন; আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা তাঁর শীর্ষ এজেন্ডা

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গোর প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেডি, বাঁদিকে,কিনশাসায় ডিআরসিতে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনকে স্বাগত জানাচ্ছেন৷ ৯ আগস্ট, ২০২২।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন মঙ্গলবার গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র কঙ্গো (ডিআরসি)’তে পৌঁছেছেন। তিনি সেখানে উদ্বেগ প্রকাশ করতে গেছেন যে প্রতিবেশী রুয়ান্ডার সাথে উত্তেজনা এই অঞ্চলে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে দিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রও রাশিয়া এবং চীনের ডিআরসিতে বিরল মাটির খনিজের নাগাল পেয়েছে সে নিয়ে উদ্বিগ্ন।

কঙ্গোতে ব্লিংকেনের দুই দিনের অবস্থানের সময় শীর্ষ অগ্রাধিকার হলো ডিআরসি এবং রুয়ান্ডার মধ্যে শান্তির জন্য চাপ দেওয়া। মিলিশিয়া গোষ্ঠীকে সমর্থন করার অভিযোগ করেছে কিনশাসা।

যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক হিসেবে আফ্রিকায় দ্বিতীয় সফরের অংশ হিসেবে ব্লিংকেন ডিআরসি সফর করছেন। এই সফরটি তার রুশ প্রতিপক্ষ সের্গেই ল্যাভরভের কঙ্গো সফরের পর অনুষ্ঠিত হলো।

বিশ্লেষকরা বলছেন যে শীতল যুদ্ধের প্রতিদ্বন্দ্বীরা ডিআরসিতে প্রভাব বিস্তারের জন্য উন্মুখ হয়ে আছে। এই অঞ্চলের বিরল খনিজের কারণে এবং এ খনিজের জন্য এর পূর্বে বহুবার সহিংসতা এবং সংঘাতে আক্রান্ত হয়েছে অঞ্চলটি । আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞ মাচারিয়া মুনেনে বলেন, এটি একটি ক্ষমতা দখলের খেলার অংশ।

তিনি বলেন, "কৌশলগত সম্পদ, খনিজ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা শিল্প উন্নয়নের পাশাপাশি অস্ত্র এবং প্রযুক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় এবং কঙ্গো এই জিনিসগুলিতে অত্যন্ত সমৃদ্ধ তাই যে কেউ এই জিনিসগুলি থেকে অন্যদের বঞ্চিত করতে পারলে সে খুব শক্তিশালী হয়ে ওঠবে"।

মুনেনে বলেন, কঙ্গোর সংঘাত প্রতিবেশী রুয়ান্ডাসহ দেশটিকে অস্থিতিশীল করে তুলছে এবং অন্যান্য আশেপাশের দেশগুলোতেও বিস্তৃত হচ্ছে। তিনি বলেন, বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য উদ্বেগের বিষয়।