যুক্তরাষ্ট্রের সেনেটের কমার্স অ্যান্ড আর্মড সার্ভিস কমিটির দায়িত্বে থাকা একজন সেনেটর বৃহস্পতিবার তাইওয়ানে পৌঁছেছেন। এই ধরনের ভ্রমণ না করার বিষয়ে বেইজিংয়ের চাপকে উপেক্ষা করেই এই মাসে তৃতীয় বার কেউ সফর করলেন।
আগস্টের প্রথম দিকে আমেরিকার প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি আসার পরে দ্বীপটির কাছে চীন সামরিক মহড়া শুরু করেছে। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত তাইপে সরকারের তীব্র আপত্তি থাকে সত্বেও তাইওয়ানকে চীন নিজস্ব অঞ্চল হিসাবে দাবি করে।
সেনেটর মার্শা ব্ল্যাকবার্ন বৃহস্পতিবার আমেরিকার একটি সামরিক বিমানে করে তাইওয়ানের রাজধানী তাইপেইতে পৌঁছেছেন। সাংশান বিমানবন্দরের সেনেটারের পৌঁছানোর ভিডিও সরাসরি টেলিভিশন দেখানো হয়।
তাইওয়ানের সরকারি বার্তা সংস্থা সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, শুক্রবার প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওয়েনের সঙ্গে তার দেখা করার কথা আছে।
টেনেসির রিপাবলিকান ব্ল্যাকবার্ন গত আগস্টে পেলোসির তাইওয়ান সফরের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন।
চীনের ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির কথা উল্লেখ করে ব্ল্যাকবার্ন ঐ সময় একটি টুইটার পোস্টে বলেন,“তাইওয়ানের পাশে আমাদের অবশ্যই দাঁড়াতে হবে এবং আমি বাইডেন বা সিসিপিকে সমর্থন না করার জন্য পেলোসির প্রশংসা করি।”
পেলোসির সফরে চীন ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথমবারের মতো তাইপেইয়ের উপর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করে তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল।
যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন আইনপ্রণেতার তাইওয়ান সফরের পর চীনের সামরিক বাহিনী তাইওয়ানের কাছে আরও মহড়া চালিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল। আর তারই প্রায় এক সপ্তাহ পরে ব্ল্যাকবার্ন এই সফর করলেন।
তাইওয়ানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের কোন আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে তাইওয়ান তাদের নিজেদের রক্ষাকল্পে সাহায্যের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাধ্য বাধকতা রয়েছে।
তাইওয়ানকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনতে চীন কখনোই শক্তি প্রয়োগের সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দেয়নি।
তাইওয়ান সরকার বলেছে, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন কখনোই দ্বীপটিকে শাসন করেনি এবং তা দাবি করার কোনো অধিকারও চীনের নেই এবং তাইওয়ানের কেবল দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষই তাদের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে পারে।