বাংলাদেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, “আমরা ডাকঘর ডিজিটাল করার কাজ শুরু করেছি।” শনিবার (৮ অক্টোবর) বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষ্যে দেওয়া বিবৃতিতে মোস্তাফা জব্বারের এ কথা বলেন।
মোস্তাফা জব্বার বলেন, “ডিজিটাল যুগের উপযোগী ডাক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় ডাকঘর ডিজিটাইজেশনের পথ নকশা আমরা তৈরি করছি। খুব শিগগিরই তা বাস্তবায়ন শুরু হবে। ইতোমধ্যে ১৪টি সর্টিং সেন্টার নির্মাণ ও ডিজিটাইজ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে রেলে চিলিং বগি ও ডাকের অন্যান্য গাড়িতে চিলিং ভ্যান চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। ডাক ব্যবস্থা ডিজিটাইজ করার পাশাপাশি কর্মরত ৪৫ হাজার কর্মকর্তা কর্মচারীকে ডিজিটাল দক্ষতা প্রদানের কাজ শুরু করেছি।”
৯ অক্টোবর বিশ্ব ডাক দিবস। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবসটি পালন করবে। এই দিবসে এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘পোস্ট ফর প্লানেট’; অর্থাৎ, বিশ্বের জন্য ডাকঘর।
টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার আরও বলেন, “আমাদের বড় চ্যালেঞ্জ ছিল, চিঠিপত্রের যুগ শেষ হওয়ায় দুর্দশাগ্রস্ত ডাক সার্ভিসকে একটা ভাল অবস্থানে নিয়ে যাওয়া। আমরা ইতোমধ্যে সেটা অনেকটা পেরেছি। ই-কমার্সের জন্য ডাকঘর এখন নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান।”
দেশব্যাপী ডাকঘরের বিশাল অবকাঠামো ও জনবলের গুরুত্ব তুলে ধরেন টেলিযোগযোগমন্ত্রী। তিনি বলেন, “হিমায়িত খাবার থেকে শুরু করে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য প্রত্যন্ত ও দুর্গম এলাকায় মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে ডাকঘরের বিকল্প নেই।”
মোস্তাফা জব্বার জানান, “বিশেষ ব্যবস্থায় ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংকের লেনদেন রয়েছে। পাশাপাশি সীমিত আকারে ডিজিটাল-কমার্স, মোবাইল মানি অর্ডার এবং পার্সেল সেবা প্রদানের জন্য কাউন্টার খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে ইউনিভার্সাল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) সদস্য পদ লাভ করে।