অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী আইনপ্রণেতারা উত্তর সিরিয়ার আল-রোজ শরণার্থী শিবির থেকে ১৭ জন নারী ও শিশুকে অস্ট্রেলিয়ায় প্রত্যাবাসনের নিন্দা জানিয়েছেন।
তারা মৃত বা কারাগারে থাকা ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের স্ত্রী,পুত্র ও কন্যা। তারা উত্তর সিরিয়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে কয়েক বছর কাটিয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা প্রত্যেক নারীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে এবং এদের কেউ কেউ সন্ত্রাস-সম্পর্কিত অভিযোগের মুখোমুখি হতে পারে। নারীরা কন্ট্রোল অর্ডারের সাথে একমত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এর অধীনে ওই ব্যক্তিদের গতিবিধি এবং কার্যকলাপকে সীমিত করা হয়।
অস্ট্রেলিয়ার বিরোধী দলীয় আইনপ্রণেতারা যুক্তি দিয়েছেন যে, এই নারীরা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকির কারণ হতে পারে।
সোমবার স্বরাষ্ট্র বিষয়ক ছায়ামন্ত্রী ক্যারেন অ্যান্ড্রুজ অস্ট্রেলিয়ান ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশনকে বলেছেন, এই প্রত্যাবাসন একটি ভুল ছিল এবং “এই নারী ও শিশুদের উদ্ধার করে আনার জন্য ক্যাম্পে অস্ট্রেলীয় কর্মীদের পাঠানো খুবই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।”
সপ্তাহান্তে যারা সিডনিতে উড়ে এসেছিলেন তাদের মধ্যে কয়েকজনের পিতা ও পিতামহ কামালে দাবৌসি শনিবার সাংবাদিকদের বলেছেন, তার মেয়ে মরিয়মকে তার স্বামী সিরিয়া ভ্রমণের কথা বলে প্রতারিত করেছে এবং চরমপন্থার সাথে মরিয়মের কোনো যোগসূত্র নেই।
সিরিয়ার কুর্দি নিয়ন্ত্রিত শিবির থেকে আরও ৪০ জন অস্ট্রেলীয় নারী ও শিশুকে কয়েক মাসে মধ্যে দেশে ফিরিয়ে আনা হতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া যুক্তরাষ্ট্র,ব্রিটেন এবং কানাডার অনুরূপ পদক্ষেপ অনুসরণ করছে। ফ্রান্স, জার্মানি এবং রাশিয়াসহ কিছু দেশ সিরিয়া থেকে নিজ নিজ নাগরিকদের প্রত্যাবাসন করেছে।
২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়া ক্যাম্প থেকে একজন গর্ভবতী কিশোরীসহ ৮ জন অস্ট্রেলীয় এতিম বাচ্চাকে উদ্ধার করার জন্য আরেকটি গোপন মিশন হাতে নিয়েছিল।