বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম ব্যাচ হাতে পেয়েছে ইউক্রেন

কিয়েভে এক নারী “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ইউক্রেনের নিহত রক্ষকদের স্মৃতি প্রাচীর” এর সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ৭ নভেম্বর, ২০২২।

রাশিয়ার বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইউক্রেন তার ন্যাশনাল অ্যাডভান্সড সারফেস-টু-সারফেস এয়ার মিসাইল সিস্টেম এবং অ্যাসপাইড বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম ব্যাচ হাতে পেয়েছে।

হোয়াইট হাউস ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলে মুখপাত্র জন কারবি গত মাসে বলেছিলেন, ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোতে রাশিয়ার উল্লেখযোগ্য হামলার পরে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনে অত্যাধুনিক নাসামস-এর চালান ত্বরান্বিত করছে।

এদিকে সোমবার ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক বলেছে, ইউক্রেন আক্রমণের সময় রাশিয়ার অভিজ্ঞ বিমান ক্রু সদস্যদের হারানো মস্কোর “বিমান শ্রেষ্ঠত্বের অভাব”- এর ক্ষেত্রে প্রভাব রাখছে। “আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে বিমান সহায়তা পরিচালনা করার উচ্চতর ঝুঁকি” সহ দুর্বল প্রশিক্ষণের কারণে সম্ভবত এটি আরও বেড়েছে।

এদিকে সোমবার অধিকৃত শহর খেরসনে আংশিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনঃস্থাপন করা হয়েছে, কিন্তু লক্ষ লক্ষ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন রয়ে গেছে।

বিবিসি জানায়,যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি ম্যাক্সারের নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যায়, দখলকৃত মারিউপোলের কাছে ৩টি গণকবরের আয়তন বসন্ত কাল থেকে ‘ক্রমাগতভাবে’ বৃদ্ধি পেয়েছে। তাদের মধ্যে একটি মারিউপোলের উত্তর-পশ্চিমে স্টারি ক্রিমে রাশিয়ার আক্রমণের শুরু থেকে ৪ হাজার ৬শ টির বেশি কবর খনন করা হয়েছে। সেখানে প্রায় দেড় হাজার নতুন কবর দেখা গেছে। তবে গণকবরে ঠিক কত লাশ দাফন করা হয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া কঠিন।

অবরোধের ফলে মৃতের সংখ্যা অস্পষ্ট রয়ে গেছে। মারিউপোল একসময় প্রায় ৫০ হাজার মানুষের বাসস্থান ছিল। এ অঞ্চল এখন ডনেটস্ক অঞ্চলের দখলকৃত অঞ্চলে অবস্থিত।

মারিউপোলের প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসিকে বলেছেন, তারা সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রুশ সেনাদেরকে মৃতদেহগুলো ধ্বংসস্তূপ থেকে অন্যত্র দাফন করতে দেখেছেন।

এ প্রতিবেদনের কিছু তথ্য এপি, রয়টার্স এবং এএফপি থেকে নেয়া হয়েছে।