বাংলাদেশ এবং জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ অন্য দেশগুলোর সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এবারের জলবায়ু সম্মেলনের (কপ-২৭) ফলাফলে হতাশা প্রকাশ করেছেন।
শুক্রবার মিশরের কপ-২৭ সম্মেলন কেন্দ্রের সভাকক্ষে আয়োজিত ‘এলডিসি অ্যান্ড এমভিসি পিপলস এক্সপেকটেশন অ্যান্ড কপ২৭’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে তারা এমন মতামত তুলে ধরেন।
সংবাদ সম্মেলনে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা ২০৫০ সালের মধ্যে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি তাপমাত্রার লক্ষ্য অর্জনে বড় দূষণকারীদের প্রতিশ্রুতি এবং কপ-২৭ আলোচনার সময়সীমার মধ্যে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ’কর্মসূচির জন্য আর্থিক সুবিধার বিষয়ে উন্নত দেশগুলো থেকে অবিলম্বে ঘোষণার দাবি জানান।
জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর সিএসও নেতাদের মধ্যে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন; আলী আকবর টিপু (প্যানেল মেয়র, খুলনা সিটি কর্পোরেশন), শামীম আরেফিন (অ্যাওসেড), ড. মোস্তফা সারোয়ার (প্রফেসর, কুয়েট), সৌম্য দত্ত (ফেলো, অশোকা রিসার্চ ফাউন্ডেশন, ভারত), প্রয়াশ অধিকারী (ডিগবিকাস ইনস্টিটিউট, নেপাল), এনআরসি (নরওয়েজিয়ান রিফিউজি কাউন্সিল)-এর সামাহ হাদিদ এবং অ্যাটলে সোলবার্গ (প্ল্যাটফর্ম অফ ডিজাস্টার ডিসপ্লেসমেন্ট সচিবালয়ের প্রধান)।
এতে মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন বাংলাদেশের আমিনুল হক (ইক্যুইটিবিডি)।আমিনুল বলেন, “১ দশমিক ৫ ডিগ্রি লক্ষ্য অর্জনে উন্নত দেশগুলোকে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা উচিত। তাদের উচিত অবিলম্বে ‘লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফাইন্যান্সিং ফ্যাসিলিটি’ ঘোষণা করা। কারণ তাদের প্রশমন ও অভিযোজনে ন্যায্য অংশ বজায় রেখে তা পরিশোধ করার নৈতিক দায় রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “ধনী দেশগুলোর উচিত অবিলম্বে ইউএনএফসিসিসি কনভেনশন ও প্যারিস চুক্তি অনুসরণ করে অভিযোজন সংক্রান্ত বৈশ্বিক লক্ষ্য নির্ধারণের কাজ শুরু করা।”