বৃহস্পতিবার ইউক্রেনের কর্মকর্তারা দেশটির গ্যাস স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এবং দেশের একাধিক স্থানে নতুন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কথা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বিবৃতিতে বলেছে, জ্বালানি স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রয়েছে। তারা আরও জানায়, আক্রমণগুলো কিয়েভ থেকে দক্ষিণে ওডেসা পর্যন্ত বিস্তার লাভ করেছে।
কিয়েভে তুষারপাত শুরু হয়েছে। কর্মকর্তারা বলেছেন, পরিষেবা কর্মীরা এই সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়ার বিমান হামলার প্রতিবন্ধকতার পরে দেশব্যাপী বিদ্যুৎ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করছেন।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার রাতের ভিডিও প্রতিবেদনে বলেছেন, প্রায় ১ লাখ মানুষ বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় ছিল।
জাতিসংঘের একটি সংস্থা বলেছে, বিদ্যুৎ বিভ্রাট অব্যাহত থাকলে এই শীতে মানবিক সংকটের আশঙ্কা রয়েছে।
পূর্ব ইউক্রেনের ডনেটস্ক অঞ্চলে যুদ্ধ তীব্রতর ভাবে পরিচালনা করার জন্য রাশিয়া খেরসন থেকে নিয়ে আসা সেনাদের ব্যবহার করছিল। ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী বলেছে, রুশ বাহিনী বাখমুত এবং নিকটবর্তী সোলেদাএ শহরে গোলাবর্ষণ করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা খারকিভ অঞ্চলের বালাক্লিয়া এবং জাপোরিঝিয়া পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে কাখোভকা জলাধারের বিপরীত তীরে অবস্থিত শহর নিকোপোলেও গোলাবর্ষণ করছিল। যুদ্ধক্ষেত্রের প্রতিবেদন রয়টার্স নিরপেক্ষভাবে যাচাই করতে পারেনি।
এছাড়াও জাপোরিঝিয়া এলাকায় রুশ হামলায় একটি আবাসিক ভবন আঘাতপ্রাপ্ত হয়; রাতারাতি কমপক্ষে ৭ জন নিহত হয়। এপির সংবাদে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার উদ্ধারকারীরা ধ্বংস্তূপে চিরুণী তল্লাশি চালিয়ে অন্য কোনো ভুক্তভোগী সেখানে আছে কি না তার সন্ধান চালিয়েছে।