ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে যে এক সাম্প্রতিক জরিপে দেখা গিয়েছে ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধটির পক্ষে রুশ জনসমর্থন হ্রাস পাচ্ছে।
রবিবার সকালে তাদের হালনাগাদ গোয়েন্দা তথ্যে মন্ত্রকটি বলে যে একটি নিরপেক্ষ রুশ গণমাধ্যম দাবি করেছে যে তাদের কাছে রাশিয়ার ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিসের তথ্য আছে, যাতে দেখা গিয়েছে যে, ৫৫% রুশ নাগরিক ইউক্রেনের সাথে শান্তি আলোচনার পক্ষে রয়েছে। অপরদিকে, মাত্র ২৫% যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে রয়েছে। ২০২২-এর এপ্রিলে প্রায় ৮০% রুশ নাগরিক ইউক্রেনে আক্রমণের পক্ষে ছিল বলে জানা গিয়েছিল।
মন্ত্রকটি বলে যে, “রাশিয়া আগামী কয়েক মাসে যুদ্ধক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিজয় অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকায় যুদ্ধের পক্ষে জনগণের নীরব সম্মতি বজায় রাখাও ক্রেমলিনের পক্ষে ক্রমবর্ধমানভাবে কষ্টসাধ্য হয়ে পড়বে।”
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেন্সকি বলেন যে রুশ সামুদ্রিক জ্বালানী তেলের সর্বোচ্চ বিক্রয় মূল্য ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার নির্ধারণ করে দেওয়া, ইউক্রেনে তাদের আক্রমণের অর্থায়ন বন্ধে রাশিয়ার অর্থনীতির শ্বাসরোধ করতে যথেষ্ট নয়।
জ্বালানীর এমন সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণে অস্ট্রেলিয়া, ব্রিটেন, কানাডা, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্মত হয়েছে। তবে শনিবার ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট মূল্যটি আরও অনেক কমানোর দাবি জানান।
পশ্চিমা দেশগুলো বিশ্বাস করে যে, মূল্যের এমন উল্লেখযোগ্য হ্রাস, বিক্রয় মূল্যকে রাশিয়ার জ্বালানী উৎপাদন ব্যয়ের থেকে নিচে নামিয়ে আনবে।
কৌশলগত যোগাযোগ বিষয়ক যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ সমন্বয়ক, জন কার্বি শুক্রবার বলেন যে, “আমাদের ধারণা যে ব্যারেল প্রতি ৬০ ডলার মূল্যটি” রাশিয়ার মুনাফা করা এবং চাহিদা ও যোগানের সমন্বয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য যথোপযুক্ত। তিনি আরও জানান যে, নির্ধারিত এই সর্বোচ্চ মূল্যটি ভবিষ্যতে পরিবর্তন করা যেতে পারে।