আর্থিক পূর্বাভাস অনুসারে, এই দশক শেষ হওয়ার আগে ভারতের অর্থনীতি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হওয়ার পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক ভাবে সমৃদ্ধ দেশগুলির মধ্যে ভারতের প্রবৃদ্ধি দ্রুততম।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল ২০২৮ সালের মধ্যে ভারত যে সেই অবস্থানে যাবে এমন পূর্বাভাস দেয়। যুক্তরাষ্ট্র এবং চীন হলো বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি।
গত মাসে নয়াদিল্লি সফরে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রী জ্যানেট ইয়েলেন ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কথা বলেছিলেন।
বিশ্লেষকরা বলছেন, অনেক কোম্পানিই ভারতের কথা বিবেচনা করছে।তারা চীনের পাশাপাশি দ্বিতীয় একটি দেশে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করার কথা ভাবছে।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক প্রযুক্তি সংস্থা অ্যাপল কিছু আইফোনের উৎপাদন ভারতে স্থানান্তরিত করবে এবং আগামী ৩ বছরের মধ্যে উৎপাদন বৃদ্ধি করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাইওয়ানের ইলেকট্রিক কোম্পানি ফক্সকন এবং স্থানীয় সংগঠন বেদান্ত ভারতের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য গুজরাটে সেমিকন্ডাক্টর তৈরির জন্য ১ হাজার ৯শ ৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার ঘোষণা দিয়েছে।
মোদির সরকার ভারতে উৎপাদনের জন্য প্রণোদনা প্রদানের মাধ্যমে কোম্পানিগুলোকে প্রলুব্ধ করার চেষ্টা করছে এবং দেশের অনুন্নত অবকাঠামোর উন্নতিতে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে। অবকাঠামোগত সমস্যা বিনিয়োগকারীদেরকে দীর্ঘকাল ধরে ভারতে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে নিরুৎসাহিত করেছে।
উচ্চ প্রবৃদ্ধি বজায় রাখা ভারতের মতো ১৪০ কোটি জনসংখ্যার দেশের জন্য অত্যাবশ্যক হবে। দেশটিকে এর লাখ লাখ জনগণকে দারিদ্য থেকে বের করে আনতে হবে এবং দেশটির বিশাল তরুণ জনসংখ্যার জন্য কর্মসংস্থান তৈরিতে একটি বিশাল চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।