দুর্যোগ মোকাবেলায় ১১৩ টি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ

পরিবেশ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক কর্মশালায় বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন। ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩।

বাংলাদেশের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন বলেছেন যে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায়, বাংলাদেশকে আটটি সেক্টরের আওতায় ১১টি অঞ্চলে ভাগ করা হয়েছে। আর, ১৪ ধরনের দুর্যোগ মোকাবেলার লক্ষ্যে ১১৩টি অভিযোজনমূলক অ্যাকশন চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে, ৮০ টি উচ্চ অগ্রাধিকার এবং ২৩টি মাঝারি অগ্রাধিকারমূলক অ্যাকশন হিসেবে বিবেচিত বলে উল্লেখ করেন তিনি।

পরিবেশ অধিদপ্তরের মিলনায়তনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এ কথা বলেন। মো. শাহাব উদ্দিন বলেন, “অভিযোজন পরিকল্পনায় চিহ্নিত ঐ কার্যক্রমসমূহ ২০৫০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে; যাতে আমাদের প্রায় ২৩ হাজার কোটি ডলার সমপরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হবে।”

পরিবেশমন্ত্রী আরো বলেন, “৩১ অক্টোবর ২০২২ তারিখে ইউএনএফসিসিতে দাখিল করা এ পরিকল্পনা শুধুমাত্র একটি জাতীয় প্রতিবেদন নয়; বরং এটা জলবায়ু অভিযোজনের ক্ষেত্রে বিশ্ব দরবারে আমাদের অবস্থান তুলে ধরবে। সকলের মূল্যবান মতামতসমূহ গ্রহণ করে এ পরিকল্পনার বাস্তবায়ন করা হবে।”

এই জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদে সমন্বিতভাবে অভিযোজন কার্যক্রম গ্রহণ ও বাস্তবায়নে কার্যকর হবে। জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনায়, বাংলাদেশের জন্য সুনির্দিষ্ট অভিযোজন চাহিদাসমূহ এবং তা বাস্তবায়নে যথাযথ কৌশলসমূহ চিহ্নিত করা হয়েছে।

শাহাব উদ্দিন বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলায় অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার মানুষের মধ্যে অভিযোজনমূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর আরও জোর দেওয়া হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় সকলের সম্মিলিত প্রয়াসের মাধ্যমে অভিযোজনমূলক কার্যক্রমসমূহ গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়ন করা হবে।”

“এছাড়া বাংলাদেশে জলবায়ু সহিষ্ণু উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থাসমূহ এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সম্মিলিত প্রয়াস চালিয়ে যাবে;” উল্লেখ করেন বাংলাদেশের পরিবেশমন্ত্রী।কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড.ফারহিনা আহমেদ।