এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু, পরীক্ষার্থী ২০ লাখের বেশি

এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে। ২৯ এপ্রিল, ২০২৩।

বাংলাদেশে ২০২৩ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা রবিবার (৩০ এপ্রিল) থেকে শুরু হয়েছে।সকাল ১০টায় বাংলা প্রথম পত্র দিয়ে এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট ২০ লাখ ৭২ হাজার ১৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছাত্র ১০ লাখ ২১ হাজার ১৯৭ এবং ছাত্রী ১০ লাখ ৫০ হাজার ৯৬৬। নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ২৭৫। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৭৯ হাজার ৮৭০ এবং ছাত্রী ৮ লাখ ৬৯ হাজার ৪০৫। আর, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ২ লাখ ৯৫ হাজার ১২১। এর মধ্যে ছাত্র ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৯৩ জন এবং ছাত্রী ১ লাখ ৫১ হাজার ১২৮।

২০২২ সালের তুলনায় ২০২৩ সালে পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৫০ হাজার ২৯৫ জন। এর মধ্যে ছাত্রী বেড়েছে ৩৮ হাজার ৬০৯। এ ছাড়া, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বেড়েছে ২০৭টি এবং কেন্দ্র বেড়েছে ২০টি।

সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের তত্ত্বীয় পরীক্ষা ৩০ এপ্রিল থেকে ২৩ মে এবং ব্যবহারিক পরীক্ষা ২৪ মে শুরু হয়ে ৩০ মে শেষ হবে। এ বছর এসএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এসএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে ২৬ এপ্রিল থেকে ২৩ মে পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলে মঙ্গলবার জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

গুজব রটালে কঠোর শাস্তি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি আবারো বলেছেন, চলমান এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের সুযোগ নেই। তিনি বলেন, “গুজব রটতে পারে, গুজব রটিয়ে ধরা পড়লে কঠোর শাস্তি হবে।”এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিন রবিবার (৩০ এপ্রিল) রাজধানী ঢাকার বাড্ডা হাইস্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “গুজব রটানো ঠেকাতে সার্বক্ষণিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। যেখানেই কোনো ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে, কেউ গুজব ছড়ানোর চেষ্টা করছে বা কিছু হচ্ছে, সেখানেই সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”

দীপু মনি বলেন, “আগামী বছর পরীক্ষা এগিয়ে আনার চেষ্টা করবো। তবে যারা পরীক্ষা দেবে , তারা পুরো প্রস্তুতির সময় পেয়েছে কি না তা দেখা হবে। সারাদেশের শিক্ষকদের একটি মতামত নেয়া হবে; তারা কোন সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করতে পারবেন তা জানতে হবে। শিক্ষকদের মতামত নিয়েই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।”

প্রশ্নপত্রে ভুলের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ভুল তো ভুলই। গতবার যে সব ভুল হয়েছে, তার জন্য কড়া মাশুল দিতে হয়েছে।”