ঢাকার দোকান থেকে প্যাকেটজাত চিনি উধাও

একটি পাইকারি বাজার থেকে চিনির ভারি ব্যাগ বোঝাই একটি ঠেলা গাড়ী টেনে নিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশী একজন শ্রমিক। রবিবার, ১০ এপ্রিল ২০১৬। (ফাইল ছবি)

রাজধানী ঢাকায় বুধবার (৩ মে) বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, দোকানগুলোতে প্যাকেটজাত চিনি নেই। গত মাসের শেষ দিকে ঈদুল ফিতরের পর থেকে চিনির সরবরাহ নেই বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। সরবরাহ কম থাকায় কোম্পানিগুলোও চিনি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে।

৮ এপ্রিল সরকার খোলা চিনির জন্য প্রতি কেজি ১০৪ টাকা এবং প্যাকেটজাত চিনির দাম ১০৯ টাকা নির্ধারণ করে।

খুচরা বাজারে প্যাকেটজাত চিনি কমই পাওয়া যাচ্ছে। এমনকি খোলা চিনির জন্যও ভোক্তাদের দিতে হচ্ছে প্রতি কেজি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকা। যা গত সপ্তাহে ছিল ১২০ থেকে ১২৫ টাকা।

কারওয়ান বাজারের চাঁদপুর স্টোরের সালমত সরদার ইউএনবিকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে প্যাকেটজাত চিনি পাওয়া যাচ্ছে না। পাইকারি পর্যায়ে কেনা খোলা চিনি প্রতি কেজি ১৩০ টাকার বেশি। তারপরও ডিলাররা ক্রয় রশিদ দিচ্ছেন না।

সরবরাহ স্বল্পতার কারণে বুধবার ঢাকার বাজারে খোলা চিনি বিক্রি হয়েছে প্রতি কেজি ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। যা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অনেক বেশি।

আমদানিকারকেরা সরবরাহ স্বল্পতার জন্য আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির উচ্চমূল্যকে দায়ী করছেন। যা অভ্যন্তরীণ সরবরাহকে প্রভাবিত করছে। তারা বেশি দামে চিনি আমদানি করার ব্যাপারে সরকারের সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করছেন। দাম বেশি হওয়ায় তারাও আমদানি কমিয়েছেন।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে চিনির দাম ১৫ শতাংশ বেড়েছে। আর এক বছরে তা বেড়েছে ৬২ শতাংশের বেশি।