কেমন আছেন দৌলতদিয়ার যৌনকর্মীরা?

Your browser doesn’t support HTML5

তাসলিমা (২৮) বারো বছর ধরে যৌনকর্মীর কাজ করছেন।

আর অনেকের মতই গ্রামের সাধারণ কিশোরী ছিলেন তিনি। ষোল বছর বয়সে বিয়ে হয় এক প্রতারকের সাথে। বিয়ের পরপরই তাকে ফেলে পালিয়ে যায় স্বামী। বাবা-মার ঘরে ফিরে এসেও শান্তি মেলেনি। "সংসার টেকাতে পারলো না", "বাবা-মার অন্ন ধ্বংস করছে বসে বসে "- আত্মীয়দের এমনতর অপবাদের মুখে একসময় বাড়ি থেকে পালিয়ে যান তাসলিমা। নানান ঘাটের জল খেয়ে শেষে থিতু হন দৌলতদিয়া যৌনপল্লীতে।

বাংলাদেশের বৃহত্তম যৌনপল্লী দৌলতদিয়া। ১৫০০-র বেশি যৌনকর্মীর বাস এখানে। পদ্মাসেতু নির্মাণের পর পরিবহন শ্রমিকদের আনা-গোনা কমে যাওয়ায় স্থানীয় অর্থনীতির সাথে সাথে একসময়ের রমরমা এ যৌনপল্লীটিও আজ মৃতপ্রায়। তবুও জীবন সংগ্রাম অব্যহত রয়েছে তাসলিমাদের।

চলুন, কাছ থেকে দেখি সমাজের এই প্রান্তিক পেশার মানুষদের জীবনধারা।

ভয়েস অফ আমেরিকার জন্য প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন সাকিব প্রত্যয়।