লিবিয়া পরিস্থিতি বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: মাইকেল রায়ানের মূল্যায়ন

লিবিয়া পরিস্থিতি বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: মাইকেল রায়ানের মূল্যায়ন

লিবিয়ার পরিস্থিতি সম্পর্কে অনেক রকম খবর শোনা যাচ্ছে। যেমন, লিবিয়ার নেতা মুয়াম্মর গাদ্দাফির প্রতিনিধীদের সঙ্গে বিরোধী গ্রুপ গুলোর আলোচনা চলছে।

এ বিষয়ে এবং লিবিয়া সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়ে আমাদের সহকর্মী শাগুফতা নাসরিন কুইন কথা বলেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: মাইকেল রায়ানের সঙ্গে।

ড: মাইকেল রাইয়ান হচ্ছেন মিডল ইস্ট ইন্সটিটউটের ভাইস প্রেসিডেন্ট।

এরকম খবর শোনা যাচ্ছে যে লিবিয়ায়, যুদ্ধ অবসানের লক্ষ্যে, মুয়াম্মর গাদ্দাফির এবং বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে। এ সম্পর্কে প্রশ্ন করি ড: মাইকেল রাইয়ান কে। তিনি বলেন এ সম্পর্কে বলা খুব কঠিন।

তিনি বলেন এটা কি শুরুর শেষ না শেষের শুরু তা বলা কঠিন। তবে ইতিহাস থেকে আমরা জেনেছি যে লিবিয়ায় যদি প্রশাসনে গুরুতরো মতভেদ না থাকে তাহলে শুধু আলোচনায় কিছু হবে না কারণ শেষ পর্যন্ত গাদ্দাফি সহযোগিতা করবেন না।

ওদিকে লিবিয়ার ক্ষেত্রে কি ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে সে বিষয়ে নেটোর অভ্যন্তরে মতভেদ দেখা দিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড: রাইয়ান মনে করেন কয়েকটি ঘটনায় লিবিয়ার পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। যেমন আন্তর্জাতিক আদালত মোয়াম্মর গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করেছে।

তিনি বলেন আমার মনে হয় নেটোর ভেতরে যতই মতপার্থক্য থাকুক না কেন, শেষ পর্যন্ত তারা একই নীতি কৌশল, অনুসরন করবে। যদিও আন্তর্জাতিক আদালত গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করেছে, আফ্রিকী ইউনিয়নের বহু রাষ্ট্র তা গ্রহন করছে না এবং তারা সহযোগিতা করছে না।

যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে রিপাবলিকানরা এবং ডেমোক্রাট যারা যুদ্ধের বিরোধী তারা ওবামা প্রশাসনের বিরুদ্ধে চাপ সৃষ্টি করছে। এই চাপ কি বাড়তেই থাকবে, সে সম্পর্কে ড: মাইকেল রায়ান বলেন আপাততো একই রকম থাকবে কিন্তু নির্বাচন যত এগিয়ে আসবে, চাপ তখন বাড়বে। কিন্তু তিনি বলেন প্রেসিডেন্ট ওবামা একই নীতি কৌশল চালিয়ে যাবেন।

তিনি বলেন প্রেসিডেন্ট ওবামা খুব সুস্পষ্ট ভাবে বলেছেন যে তিনি যা বলেছেন ঠিক সেটাই করেছেন, কোন আমেরিকান সেখানে নিহত হননি, এবং আমরা সেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছি দু সপ্তাহেরও কম সময় ধরে। আমরা আমাদের মিত্রদের সমর্থন দিয়ে যাবো। এবং প্রেসিডেন্ট মনে করেন তাঁর সাংবিধানিক অধিকার আছে।

ড: মাইকেল রায়ান মনে করেন যুক্তরাষ্ট্র লিবিয়ার ক্ষেত্রে একই নীতি কৌশল মেনে চলবে।