কুরবানির ঈদ সামনে রেখে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কপালে ভাঁজ পড়েছে। তারা মনে
করছেন সময়টা খুবই নাজুক।সংক্রমণ যেখানে এখন পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণে আসেনি
সেখানে ঈদের আয়োজন বাংলাদেশকে বড় ধরণের ঝুঁকির মধ্যে ফেলবে। কারণ সবাই
জানেন পশু কেনাবেচা আর সনাতনী পদ্ধতিতে কুরবানি দেয়ায় প্রচুর লোক সমাগম
হবে। আর বিপদটা সেখানেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাবেক বিশেষজ্ঞ
ডা. মোজাহেরুল হক মনে করেন মানুষের চলাচল বাড়া মানেই অধিক মাত্রায়
সংক্রমণ বাড়বে।
গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন আরও ২৯ জন। গত এক মাসে এটাই
সর্বনিম্ন মৃত্যু। স্বাস্থ্য বুলেটিনে জানানো হয় এই সময় ৩ হাজার ২৮৮ জন আক্রান্ত
হয়েছেন। সবমিলিয়ে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৬৭৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন
১ হাজার ৯৯৭ জন। রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত পুরনো ঢাকার ওয়ারীকে
লকডাউনের আওতায় নেয়া হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে শুরু হওয়া এই লকডাউন
২১ দিন চলবে। এই সময় চলাচলের উপর কড়া বিধি নিষেধ থাকবে। কেউ জরুরী
প্রয়োজন ছাড়া বাইরে যেতে পারবে না। ফার্মেসি ছাড়া সব দোকান পাট এমনকি
মসজিদ মন্দিরও বন্ধ থাকবে।এখন পর্যন্ত ওয়ারীতে দুই শতাধিক মানুষ করোনায়
আক্রান্ত হয়েছেন। লক্ষাধিক মানুষ এই এলাকায় বসবাস করেন।
ওদিকে ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মর্তুজা করোনা পরীক্ষায় আবারও পজিটিভ
হয়েছেন। ১৪ দিন আগে প্রথম টেস্টে পজিটিভ রেজাল্ট এসেছিল। দ্বিতীয় টেস্টেও
একই ফল এসেছে।
Your browser doesn’t support HTML5
কুরবানির ঈদ সামনে রেখে সংক্রমণ বাড়ার আশংকা