বাংলাদেশ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের আরও চার কোটি ডোজ ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের কাছ থেকে কিনতে চায়।বাংলাদেশের স্বাস্থ্য সচিব আবদুল মান্নানকে উদ্ধৃত করে বার্তা সংস্থার খবরে এমন তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। সেরাম ইন্সটিটিউটের কাছ থেকে তিন কোটি ডোজ করোনা ভাইরাসের টিকা কিনতে গতবছর নভেম্বর মাসে বাংলাদেশ যে চুক্তি করেছিল তার মধ্যে দুই চালানে ৭০ লাখ ডোজ টিকা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশ হাতে পেয়েছে। এর আগে ভারত সরকার উপহার হিসেবে যে ২০ লাখ ডোজ টিকা দিয়েছিল, সেটাও সেরাম ইন্সটিটিউটে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা যা সংস্থাটি বাজারজাত করছে কোভিশিল্ড নামে। স্বাস্থ্যসচিব আরও জানিয়েছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সমর্থিত জোটের মাধ্যমেও ছয় কোটি ৮০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বাংলাদেশ যার প্রথম চালানের প্রায় এক কোটি ডোজ চলতি বছরের জুন মাসের মধ্যেই পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Your browser doesn’t support HTML5
আরও চার কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কিনতে চায় বাংলাদেশ
এদিকে, জেনেভা ভিত্তিক প্রেস এমব্লেম ক্যাম্পেইন এর দেয়া তথ্য অনুসারে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত করোনাভাইরাসে মোট ৬৮টি দেশে কমপক্ষে ৮৪০ জন সাংবাদিক মারা গেছেন। সংস্থাটি জানিয়েছে এই ৮৪০ জন মৃত সাংবাদিকের মধ্যে বাংলাদেশের ৪৪ জন সাংবাদিকও রয়েছেন। সাংবাদিকদের মধ্যে করোনাভাইরাস সম্পর্কিত মৃত্যুর তালিকায় বাংলাদেশ বিশ্বে ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে বলে সংস্থাটি উল্লেখ করে বলেছে পৃথিবীতে এই সময়ের মধ্যে সব চেয়ে বেশি গনমাধ্যমকর্মী মারা গেছেন দক্ষিন অ্যামেরিকার দেশ পেরুতে যার সংখ্যা ১৫১ জন। সংস্থাটির পক্ষ থেকে মহাসচিব ব্লেইজ লেম্পেন করোনাভাইরাসের কারণে এই বিপুল সংখ্যক সাংবাদিকের মৃত্যুতে দুঃখ প্রকাশ করছেন এবং তাদের পরিবার এবং সহকর্মীদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সাংবাদিকদের দ্রুত টিকাদান কর্মসূচির আওতায় আনা উচিত যাতে মাঠ পর্যায়ে তারা জীবন বিপন্ন না করেই নিজেদের কাজগুলো করে যেতে পারেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।
অপরদিকে, বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ আজ জানিয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের এবং ৬৩৫ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন।