নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চের সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের মধ্যে ৪ জন বাংলাদেশী রয়েছেন বলে সবশেষ খবরে জানা গেছে। ক্রাইস্টচার্চ থেকে বাংলাদেশের অনারারী কনসাল শফিকুর রহমান ভয়েস অব আমেরিকাকে এবং ঢাকায় বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম একটি বার্তা সংস্থাকে এমত খবর দিয়েছেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিহত বাংলাদেশীর সংখ্যা ৬ জন পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে শংকা ব্যক্ত করেছেন। নিউজিল্যান্ডের পুলিশ ড. সামাদ এবং হোসনে আরা আহমদ নামে দুইজন নিহত বাংলাদেশীর নাম প্রকাশ করেছে।
এদিকে, বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম চাদপুরের মোজাম্মেল হক এবং নারায়ণগঞ্জের ওমর ফারুকের পারিবারিক সূত্রের বরাতে তারাও ক্রাইস্টচার্চের ঘটনায় নিহত হয়েছেন খবর দিয়েছে। নরসিংদীর জাকারিয়া ভূঁইয়া নামের একজন বাংলাদেশী এখনো নিখোঁজ রয়েছেন। তার নাম নিহতের তালিকায়ও নেই; তবে তার কোন খোজ খবর মিলছে না- ঐ ঘটনার পর থেকে। কতোজন বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন এবং সবশেষ পরিস্থিতি সম্পর্কে নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ থেকে ভয়েস অব আমেরিকাকে জানিয়েছেন নিউজিল্যান্ডে বাংলাদেশের অনারারি কনসাল শফিকুর রহমান।
ক্রাইস্টচার্চে অবস্থানরত বাংলাদেশীরা উদ্বেগ, উৎকণ্ঠায় আছেন বলে জানিয়েছে ঐ শহরে বসবাসরত একজন বাংলাদেশী।
এখন পর্যন্ত মরদেহ না পাওয়া ও শনাক্তকরণে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগে ক্রাইস্টচার্চে বাংলাদেশীরা মানববন্ধন করেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে বুধবারের মধ্যে সব মরদেহ আত্মীয়-স্বজনের কাছে হস্তান্তরের খবর দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।
ক্রাইস্টচার্চের দুঃসহ স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে শনিবার রাতে ঢাকায় ফিরেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সদস্যরা। বিমানবন্দরে সংক্ষিপ্ত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ তাদের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন।
ঢাকায় প্রাপ্ত সবশেষ খবরে জানা গেছে, নিউজিল্যান্ডে বসবাসরত বাংলাদেশীদের বাড়ির ভেতরে থাকা, জনসমাবেশ এড়িয়ে চলা এবং দেশটির আইন মেনে চলার তাগিদ দিয়ে বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষ তাদের বার্তা দিয়েছেন।
Your browser doesn’t support HTML5
ঢাকা থেকে আমীর খসরু'র রিপোর্ট।