মাত্র ছয় ঘন্টা পর মুক্তি পেলেন বিএনপি'র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তিপান তিনি। এসময় নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান তাকে। জেল থেকে বের হওয়ার পর সংবাদদাতাকে বলেন, গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ কমে যাওয়ায় এসব ঘটনা ঘটছে। গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরিয়ে আনাই এই মুহূর্তে আমাদের চ্যালেঞ্জ।
এর আগে দিনভর তাকে নিয়ে ছিল নাটকীয়তা। বেলা ১১টার কিছু পর বিএনপি'র পক্ষ থেকে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দলটির মহাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মির্জা আলমগীর। ঘন্টাখানেকের মধ্যেই তিনটি মামলায় তার জামিনের শুনানি হয় ঢাকার মহানগর হাকিমের আদালতে। একটি মামলায় তিনি জামিন পেলেও দুই মামলায় তার জামিনের আবেদন নাকচ করেন বিচারক। তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়। বেলা ১টার দিকে আদালতের হাজতখানা থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় কারাগারে।
তবে নাটকীয়তার তখনও বাকি ছিল। জামিন খারিজের আবেদন পুনর্বিবেচনার আর্জি জানান ফখরুলের আইনজীবীরা। বিকাল চারটার দিকে শুনানি শেষে আগের আদেশ প্রত্যাহার করে জামিন দেয়া হয় তাকে।
মির্জা ফখরুল পাঁচ বছরে সাত দফায় ৩৫৯ দিন কারাভোগ করেছেন। তার বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে ৮৪টি। কাউন্সিলের ১১ দিন পর তাকে মহাসচিব মনোনিত করলেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।
বুধবারই ঢাকার একটি আদালত আলাদা মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী।
Your browser doesn’t support HTML5
ফখরুল মুক্ত, খালেদার বিরুদ্ধে পরোয়ানা