আন্তর্জাতিক ফুটবল ফেডারেশন – ফিফার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ৫ম মেয়াদের নির্বাচিত হয়েছেন সেপ ব্ল্যাটার। ব্ল্যাটার ফিফার দারুণ এক দূর্নীতির কেলেংকারীর মাঝে খুব সহজে অবশ্য এগিয়ে আসেননি।
এ বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগঠক সাবেক ক্রীড়াবিদ কোহিনুর রহমানের সঙ্গে এখন কথা বলছি। টেলিফোনে আছেন কোহিনুর রহমান।
Your browser doesn’t support HTML5
ফিফার প্রেসিডেন্ট হিসেবে ৫ম মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন সেপ ব্ল্যাটার
৭৯ বছর বয়সে পাঁচবারের মেয়াদে নির্বাচনে জয়লাভ না সহজ ছিল না। বিশেষ করে যখন ফিফার প্রধান কর্মকর্তাদের দূর্নীতির কেলেংকারী বলা যায় সীমা ছাড়িয়ে গেছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য ১৪০ ভোটের প্রয়োজন ছিল তবে জয়ের জন্য ১৩৩ ভোটই ছিল অনেক। তার প্রতিদ্বন্দ্বী জর্ডানের প্রিন্স আলী বিন আল হুসেইন দ্বিতীয় রাউণ্ডের কোন ভোটাভুটির আগেই তার পরাজয় মেনে নিয়ে সরে দাঁড়ালেন। ব্ল্যাটারকে ক্লান্ত দেখাচ্ছিল আর তার অভিব্যক্তি ছিল – ‘আমি খুশী’।
ইওরোপীয় ফুটবল সমিতি UEFAর প্রেসিডেন্ট ফ্রান্সের মিশেল প্লাতিনিসহ ফুটবলে ইওরোপের অনেক নামী কর্মকর্তা অবশ্য ব্ল্যাটারের প্রতি তাদের আস্থা হারানোর কথা বেশ স্পষ্ট করেই জানিয়ে দিয়েছিলেন। নির্বাচনের আগে ব্ল্যাটার বলেছিলেন সবার সব ভুলত্রুটির দায়িত্ব তিনি নিতে পারেন না, তবে নির্বাচনের পর বললেন, তিনি স্বীকার করেন যে ফিফার প্রেসিডেন্টকে সব কাজের জন্যই জবাবদিহি করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালে রাশিয়াকে এবং ২০২২ সালে কাতারকে বিশ্বকাপ ফুটবলের আয়োজন দেশ হিসেবে নির্ধারণ না করলে হয়তো এই পরিস্থিত দেখা দিত না। জার্মান চান্সেলার এ্যাঙ্গেলা মার্কেল, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন সেপ ব্ল্যাটারকে পদত্যাগের কথা বলেন। তাদের কথায় এই কেলেংকারীর মধ্যে তার দায়িত্বে টিকে থাকা অকল্পনীয় এক ঘটনা।