জাপানের দূর্যোগ নিয়ে টোকিও থেকে মঞ্জুরুল হকের বক্তব্য

  • আনিস আহমেদ

A Congolese girl, displaced by recent fighting in North Kivu, holds a doll at the child friendly space (CFS) within Mugunga III camp for the internally displaced people near Goma, eastern Democratic Republic of Congo.

জাপানের ফুকুশিমা শহরে বিস্ফোরিত পরমাণু চুলি্লটিকে সাগরের পানি দিয়ে শীতল করার চেষ্টা চালাচ্ছেন প্রকৌশলীরা। কিন্তু এর পাশের পরমাণু চুলি্লটিও বিস্ফোরিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় পরিস্থিতি জটিল হয়ে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রী নাওতো কান ভূমিকম্প ও সুনামিতে বিধ্বস্ত দেশের এ পরিস্থিতিকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভয়াবহতম অভিহিত করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। বিধ্বস্ত অঞ্চলে জোরেশোরে চলছে উদ্ধার তৎপরতা। মৃতের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করেছে দেশটির পুলিশ বিভাগ।
শুক্রবারের ভূমিকম্প ও সুনামির পরদিন ফুকুশিমা শহরে বিস্ফোরিত দিয়াচি-১ পরমাণু চুলি্লটি শীতল করার জন্য সমুদ্রের পানি ব্যবহার শুরু করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তাদের আশা, রি-অ্যাক্টরটি ঠাণ্ডা করা সম্ভব হলে এটি আপনা-আপনি তেজস্ক্রিয় বিকিরণ বন্ধ করবে। কিন্তু এ আশার পাশাপাশি আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে এর পাশেই অবস্থিত অপর চুল্লিটি ।

জাপানে ভুমিকম্প ও সুনামির পর , সেখানকার পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের অন্তত দুটি চুল্লি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং আজ আবারও জাপানের প্রধানমন্ত্রী দেশের লোককে এই দূর্যোগে মোকাবিলায় ঐকবদ্ধ হতে আহ্বান জানিয়েছেন । টোকিওতে এন এইচ কে ‘র একজন খন্ডকালীন সাংবাদিক এবং জাপানী রাজনীতির অধ্যাপক মঞ্জুরুল হকের টেলিফোনে এই সঙ্কটের স্বরূপ তুলে ধরেন এবং এই দূর্যোগ মোকাবিলার দিকগুলিও তুলে ধরেন্