রোহিঙ্গা বিষয়ে আসিফ মুনীরের সাক্ষাৎকার

A member of Border Guard Bangladesh (BGB) stands guard on a watchtower near the Bangladesh-Myanmar border to prevent Rohingya refugees from illegal border crossing, in Teknaf near Cox’s Bazar, Bangladesh, Nov. 22, 2016.

মিয়ানমান থেকে বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত এলাকা টেকনাফের নাফ নদী দিয়ে প্রবেশকালে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি ৯টি নৌকা বোঝাই কমপক্ষে ১৪০ জন রোহিঙ্গাকে প্রবেশে বাধা প্রদান করেছে এবং তাদের নিজ দেশের সীমানায় পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে বলে বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। গত ১ নভেম্বর থেকে এই পর্যন্ত বিজিবি’র হিসাব মোতাবেক বাংলাদেশের টেকনাফ সীমান্তের ১৫টি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টাকালে ২৪০টি নৌকায় থাকা ২ হাজার ৩শ ৫০ জন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে দেয়া হয়নি বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এদিকে, জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বলছে, এ পর্যন্ত ২১ হাজার রোহিঙ্গা এই দফায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। তবে আইওএম’র প্রাক্তন মুখপাত্র এবং বর্তমানে অভিবাসন ও উদ্বাস্তু বিষয়ক বিশ্লেষক এবং গবেষক আসিফ মুনীর ভয়েস অব আমেরিকাকে বলেছেন, এই সংখ্যা বেশি হতে পারে।
আসিফ মুনীর বলেন, আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে তারা বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে সবুজ সংকেত চাচ্ছে। এবং এক্ষেত্রে আরও সমন্বয়ের প্রয়োজন বলে তারা মনে করছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশে প্রবেশ করা রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদানে বাংলাদেশ সরকারের ত্বড়িৎ সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সাথে সমন্বয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

ঢাকা থেকে আমীর খসরুর রিপোর্ট।

Your browser doesn’t support HTML5

আমীর খসরুর রিপোর্ট