রাঙ্গামাটিতে বছর দশকের মধ্যে পাহাড়ি ধ্বসের কারণে এ বছরই বড় ধরনের মানবিক বিপর্যয় চলছে পুরো এলাকায়। এই পাবর্ত্য জেলার সাথে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকার কারণে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বাড়ছে। কয়েকজন স্থানীয় তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এ সম্পর্কে।
এদিকে, কর্তৃপক্ষীয়ভাবে বলা হচ্ছে, কয়েকদিন সময় লেগে যাবে রাঙ্গামাটির সাথে সড়ক সংযোগ পুরোপুরি চালু করতে।
পাহাড়ি ধ্বসের কারণে রাঙ্গামাটি জেলা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বান্দরবান, চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়িসহ পাহাড়ি কয়েকটি জেলায় এবারে পাহাড় ধসে এই পর্যন্ত দেড় শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছেন। ২০০৭ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সময়ে শুধুমাত্র চট্টগ্রাম জেলায়ই পাহাড় ধ্বসে নিহত হয়েছেন ২ শতাধিক মানুষ। আর পুরো পাহাড়ি জেলাগুলোতে বছর দশক সময়েই নিহতের সংখ্যা অনেক অনেক গুণে বেশি।
গত প্রায় ২৫ বছরের হিসাব মোতাবেক বিশেষজ্ঞদের মতে, কয়েকটি কারণে পাহাড় ধসের ঘটনা দিনে দিনে বাড়ছে।ভয়েস অব আমেরিকার সাথে আলোচনায় এ সম্পর্কে বিশ্লেষণ করেছেন চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং পাহাড় সংক্রান্ত বিষয়ের বিশেষজ্ঞ প্রফেসর জাহাঙ্গীর আলম।
বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, অবিলম্বে একটি কার্যকর নীতিমালা গ্রহণ বা তা শক্ত হাতে বাস্তবায়ন ছাড়া পাহাড় ধ্বসের মতো মানবিক বিপর্যয় ঠেকানোর কোনো পথ এবং পন্থা নেই।
ঢাকা থেকে আমীর খসরুর রিপোর্ট।
Your browser doesn’t support HTML5
আমীর খসরুর রিপোর্ট (সাক্ষাৎকার)