দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত

বাংলাদেশ ও ভারত তাঁদের অর্থনীতিসহ অন্যান্য ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে।

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে ঢাকা থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং নতুন দিল্লী থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মধ্যে বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকে এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যে সহযোগিতামূলক ঐকমত রয়েছে তার সুযোগ নিয়ে দুই দেশই নিজ নিজ অর্থনীতিকে আরও সুসংহত করতে পারে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আগামী বছর ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর বক্তব্যে বলেছেন বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক শক্তিশালী করার নীতি তাঁর দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই অগ্রাধিকারে রয়েছে।

Your browser doesn’t support HTML5

দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও ভারত


বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথভাবে বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ভারতের ডাকবিভাগের স্মারক ডাকটিকেট এবং বাংলাদেশের চিলাহাটি থেকে ভারতের হলদিবাড়ি পর্যন্ত রেল সংযোগের যা ১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের পর থেকে ৫৫ বছর বন্ধ ছিল তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন। বৈঠক শুরুর আগে ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য, জ্বালানি, কৃষি, পরিবেশসহ সাতটি খাতে সহযোগিতার লক্ষ্যে চুক্তি সাক্ষরিত হয়।

বৈঠক শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি, ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে বাংলাদেশী হত্যা বন্ধসহ ভারতের সাথে অন্যান্য যে সকল সমস্যা রয়েছে সেগুলোর সমাধানের বিষয়ে বাংলাদেশ আশাবাদী ।