আফগানিস্তান বিষয়ে পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করলেন যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিক

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এই ছবিতে, যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যান এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি ইসলামাবাদে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একসঙ্গে হাঁটছেন। ৮ অক্টোবর ২০২১। (ছবি-এপি/পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়)

যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যান শুক্রবার পাকিস্তানের নেতাদের সঙ্গে তালিবান শাসিত আফগানিস্তানের উন্নয়ন এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিষয়ক সহযোগিতা এগিয়ে নেওয়ার পন্থাগুলো নিয়ে আলোচনা করেছেন।

প্রতিবেশী ভারত থেকে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে শেরম্যান পাকিস্তান পৌঁছান। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসন দায়িত্ব নেওয়ার পর ওয়েন্ডি শেরম্যান যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক যিনি পকিস্তান সফর গেলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির সঙ্গে প্রতিনিধি পর্যায়ে আলোচনার আগে ওয়েন্ডি শেরম্যান পাকিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ময়িদ ইউসুফের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে তার পাকিস্তান সফরের সূচনা করেন।


কুরেশির কার্যালয় তাকে উদ্ধৃত করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে পাকিস্তানের আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেছে যে আফগানিস্তানে তালিবান নেতৃত্বাধীন সরকার "শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কাজ করবে, সেইসঙ্গে আফগানিস্তানের জনগণের উন্নয়নের জন্যেও কাজ করবে।"

তিনি আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের "ইতিবাচক অংশগ্রহণের" প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। কুরেশি বলেন "আফগান জনগণের কষ্ট দূর করতে একটি টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলার জন্য মানবিক ও অর্থনৈতিক সাহয্যের প্রবাহ চালু করা প্রয়োজন।"

বিবৃতিতে বলা হয়, "পারস্পরিক স্বার্থ এবং অভিন্ন আঞ্চলিক লক্ষ্যগুলি" তুলে ধরার জন্য পাকিস্তান এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে "ঘনিষ্ঠ এবং নিয়মিত সম্পৃক্ততার" গুরুত্বের ওপর কুরেশি জোর দেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পাকিস্তানের ঐতিহ্যগতভাবে টানটান সম্পর্ক, আগস্টে আফগানিস্তানের নাটকীয়ভাবে তালিবান দখলের পর নতুন করে চাপের মধ্যে রয়েছে।

এই উত্তেজনার মূল কারণ দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই অভিযোগ যে পাকিস্তানের সঙ্গে তালিবানের গভীর সম্পর্ক ছিল এবং পাকিস্তান গোপনে তালিবানকে সমর্থন করছিল যখন ইসলামপন্থী বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত আফগান সরকারের সঙ্গে প্রায় ২০ বছর ধরে লড়াই করেছে।ইসলামাবাদ এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।