রাশিয়া-ইউক্রেন সীমান্তে উত্তেজনা কমানোর প্রচেষ্টার বিষয়টি বৃহস্পতিবার ভিয়েনায় ইউরোপের স্থায়ী পরিষদের নিরাপত্তা ও সহযোগিতা সংস্থার বৈঠকে স্থানান্তরিত হয়েছে।
সোমবার জেনিভায় রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক এবং রাশিয়া ও নেটোর মধ্যে বুধবার ব্রাসেলসে আলোচনার পর এই অধিবেশন শুরু হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রকের মুখপাত্র নেড প্রাইস সাংবাদিকদের বলেন বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পরে, জড়িত পক্ষগুলি যে আলোচনা হয়েছে তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে এবং "উপযুক্ত পরবর্তী পদক্ষেপগুলি নির্ধারণ করবে"।
বুধবার প্রাইস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে এই তিন দফা আলোচনার পর রাশিয়ার প্রতিনিধি দল "প্রেসিডেন্ট পুতিনকে আলোচনার বিস্তারিত জানাবে এবং আমরা সবাই আশা করি তিনি শান্তি ও নিরাপত্তার পথ বেছে নেবেন। তিনি নিশ্চয় জানেন আমরা এ বিষয়ে আন্তরিক এবং যখন আমরা বলি যে আমরা কূটনীতি এবং সংলাপের পথ পছন্দ করি তখন আমরা তাতে অবিচল থাকি”।
যুক্তরাষ্ট্র এবং তার নেটো মিত্ররা রাশিয়াকে উত্তেজনা হ্রাস করার জন্য এবং পরিস্থিতি কূটনৈতিকভাবে সমাধান করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। ঝুঁকি কমাতে, স্বচ্ছতা এবং যোগাযোগ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে উন্নতির জন্য পারস্পরিক পদক্ষেপের জন্য বিভিন্ন উপায় জানিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েন্ডি শেরম্যান, যিনি ব্রাসেলসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়েছেন, এক সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, নেটো-রাশিয়ার বৈঠক, উত্তেজনা কমাতে এবং "কূটনৈতিক পন্থা অবলম্বন করে সৎ ও পারস্পরিকভাবে জড়িত থাকতে, যাতে করে আমরা সবার নিরাপত্তা বাড়াতে একযোগে সমাধান চিহ্নিত করতে পারি", মস্কোর জন্য "একটি সংযত চ্যালেঞ্জ" নেয়ার মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে।
বুধবার প্রায় চার ঘণ্টার বৈঠকের পর, শেরম্যান বলেন, "উত্তেজনা কমানো হবে বা থাকবে না এমন কোনও প্রতিশ্রুতি বা বিবৃতি দেয়া হয়নি।"
তিনি যোগ করেন যে রাশিয়া স্পষ্টভাবে শুনেছে যে ইউক্রেন সীমান্তে যখন ১ লক্ষ সৈন্যের সমাবেশ হয় এবং সেখানে তাজা গোলার মহড়া চালানো হয় তখন কূটনীতি কাজ করা খুব কঠিন।