কাবুলে সামরিক হাসপাতালে জঙ্গী হামলায় অনেকে হতাহত

আফগানিস্তানের মধ্য কাবুলে সরদার মোহাম্মদ দাউদ খান জাতীয় সামরিক হাসপাতালের কাছে একটি বিস্ফোরণের পর লোকেরা শিশু হাসপাতালের ভিতরে হাঁটছেন৷২ নভেম্বর ২০২১।(ছবি-রয়টার্স)

আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীসহ একদল বন্দুকধারী মঙ্গলবার কাবুলে আফগানিস্তানের প্রধান সামরিক হাসপাতালে হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।ঐ ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন তালিবান নিরাপত্তা কর্মকর্তা হতাহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সরকারী আফগান বার্তা সংস্থা প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে এই হামলার পিছনে "দায়েশ" এর হাত ছিল। বার্তা সংস্থাটি ইসলামিক স্টেটের আঞ্চলিক সহযোগী সংগঠনের স্থানীয় নামটি ব্যবহার করেছে যা ইসলামিক স্টেট খোরাসান প্রদেশ নামে পরিচিত। এই হামলা সম্পর্কে বিস্তারিত কোন তথ্য দেয়নি সংস্থাটি।

তালিবান সরকারের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের রাজধানীর ওয়াজির আকবর খান এলাকায় হাসপাতালের প্রবেশপথে এক শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটিয়ে হামলা শুরু করা হয়। বিলাল করিমি জানান দ্বিতীয় বোমাটি হাসপাতালের ভেতরে বিস্ফোরিত হয়।তিনি পরে এই ঘটনা সম্পর্কিত আরো বিস্তারিত তথ্য দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

সর্দার মোহাম্মদ দাউদ খান হাসপাতালের ভেতরে হামলাকারীদের সঙ্গে তালিবান বাহিনী লড়াই করছে বলে জানা গেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের সংখ্যা যেমন জানা যায়নি তেমনি হামলার দায়ও কেউ স্বীকার করেনি।

আগস্টের মাঝামাঝি তালিবান দেশটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকে আফগানিস্তানে আইএস-খোরাসানের হামলার পরিমাণ বেড়ে গেছে। হামলাগুলো প্রধানত তালিবান যোদ্ধা এবং সংখ্যালঘু শিয়া সম্প্রদায়ের সদস্যদের লক্ষ্য করে করা হচ্ছে যেখানে কয়েক’শ মানুষ হতাহত হয়েছে।

২০১৭ সালে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা সামরিক হাসপাতালে হামলা চালিয়ে দুই ডজনেরও বেশি মানুষকে হত্যা করে। পশ্চিমা-সমর্থিত আফগান সরকার এবং যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন বিদেশী সৈন্যদের বিরুদ্ধে মারাত্মক হামলা চালানোর সময় তালিবানও এই একই স্থাপনাটিকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল।