গত ১৮ মাস পর অস্ট্রেলিয়া এই প্রথমবারের মতো, নভেম্বর মাসে তার আন্তর্জাতিক সীমান্ত আবার খুলে দেবে, যাতে টিকাপ্রাপ্ত ভ্রমণকারীরা সে দেশে প্রবেশ করতে পারে।
অস্ট্রেলিয়া গত বছরের মার্চ মাসে বেশিরভাগ বিদেশী নাগরিকের জন্য সে দেশে প্রবেশ নিষিদ্ধ করেছিল এবং বলেছিল যে তার নাগরিকদের দেশ ছাড়ার আগে সরকারী অনুমতির নিতে হবে। এখন অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের জন্য তাদের দ্বার আবার খুলে দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সরকারি পরিকল্পনার আওতায়, আন্তর্জাতিক যাত্রীদের হোটেলে ১৪ দিনের বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টিনে থাকার বর্তমান যে নিয়ম তার পরিবর্তে এখন তাঁরা সাত দিনের জন্য বাড়িতে থাকতে পারবেন।
সম্পূর্ণ ভ্যাকসিন প্রাপ্ত অস্ট্রেলিয়ানদের দেশে প্রবেশ বা বের হওয়ার জন্য কোন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা থাকবে না, যদিও প্রধান বিমান সংস্থাগুলি সতর্ক করেছে যে তারা এখনও এত তাড়াতাড়ি ফ্লাইট বাড়ানোর জন্য প্রস্তুত নয়। সরকার নিউজিল্যান্ড সহ অন্যান্য দেশের সাথে কোয়ারেন্টিন-মুক্ত ভ্রমণ ব্যবস্থার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
যেসব যাত্রী টিকা পাননি, অথবা এমন টিকা বা ওষুধ নিয়েছেন যা অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ দ্বারা স্বীকৃত নয়, তাদের ১৪ দিনের অফিসিয়াল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন শুক্রবার বলেছেন, নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনি সম্ভবত প্রথম শহর যা আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
তবে তিনি সতর্ক করেন যে অভ্যন্তরীণ যাতায়াতের উপর এখনও বিধিনিষেধ থাকতে পারে।
মহামারী শুরুর পর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ১০ লক্ষ ৫ হাজার করোনাভাইরাস সংক্রমনের রেকর্ড হয়েছে। সে দেশে ১,২০০ এরও বেশি মানুষ মারা গেছে।
সিডনি, মেলবোর্ন এবং ক্যানবেরার বাসিন্দা সহ লক্ষ লক্ষ অস্ট্রেলিয়াবাসী লকডাউনে রয়েছেন।
ডাবল-ডোজ টিকাদানের হার ৭০ শতাংশ বা এর উপরে পৌঁছালে, ধীরে ধীরে বিধিনিষেধ কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে অস্ট্রেলিয়ার সরকার। বর্তমানে সেখানে টিকাপ্রদানের হার মাত্র ৫৫ শতাংশের কিছু উপরে।