মিয়ানমারের ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলো বলছে তারা নিপীড়নের শিকার হচ্ছে

ফাইল - থাইল্যান্ডের উমফাং, খ্রিস্টান গণ সমাবেশের সময় একজন কারেন মহিলা একটি স্তোত্রের বই হাতে ধরে রেখেছেন।২৩ মে ২০২১।

মিয়ানমারের ধর্মীয় নেতারা বলছেন, সেনাবাহিনী সেই সব ধর্মীয় গোষ্ঠীর ওপর দমন-পীড়ন চালাচ্ছে যারা সামরিক শাসন মানতে অস্বীকার করছে।

মিয়ানমারের জনসংখ্যার প্রায় ৮৮ শতাংশ বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের।বাকি অংশের মধ্যে খ্রিস্টান, মুসলিম এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে দেশের সমস্ত ধর্মীয় গোষ্ঠী সামরিক অভ্যুত্থানের ফলে আটকা পড়েছে।

সামরিক-চালিত রাজ্য প্রশাসনিক পরিষদ গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর থেকে গত নয় মাস সামরিক বাহিনী এবং অভ্যুত্থানবিরোধীদের মধ্যে লড়াই অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে পশ্চিম মিয়ানমারের ছিন রাজ্যে জাতিগত সশস্ত্র গোষ্ঠীকে লক্ষ্যবস্তু করার লক্ষ্যে অক্টোবরের শেষে এক সামরিক আক্রমণে বেসামরিক লোকদের হত্যা করা হয়েছে এবং ধর্মীয় ভবন ধ্বংস করা হয়েছে।ছিনের মানবাধিকার সংস্থার মতে, ছিন রাজ্যের জনসংখ্যার ৯০ শতাংশের বেশি লোক খ্রিস্টান।

সামরিক মুখপাত্র জাও মিন তুন স্থানীয় সাংবাদিকদের অভিযোগ যে ভবনগুলি বিশেষভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল তা অস্বীকার করেছেন।

স্থানীয় একটি গ্রুপ, বার্মা হিউম্যান রাইটস নেটওয়ার্ক সোমবার এক বিবৃতিতে হামলার নিন্দা করে বলেছে, ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের লক্ষ্যবস্তু করার ব্যাপারে জান্তার দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

বৌদ্ধ ভিক্ষু, মুসলিম এবং খ্রিস্টান সবাই রাস্তায় নেমে পড়েছে এবং সামরিক নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করছে। দেশটির ধর্মীয় ব্যক্তিত্বরা বলছেন, ধর্মীয় গোষ্ঠীগুলোর ওপর সামরিক পদক্ষেপের এক ভয়ংকর প্রভাব পড়েছে।