দীর্ঘ অসুস্থতার পর আজ মঙ্গলবার সকালে মৃত্যু হল বর্ষীয়ান সিপিএম সাংসদ অনিল বসুর। শরীরে সংক্রমণ নিয়ে দক্ষিণ কলকাতার মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। অবশেষে আজ মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে হার স্বীকার করতে হল তাঁকে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭২।
বিস্তারিত জানাচ্ছেন কলকাতা থেকে পরমাশিষ ঘোষ রায়।
Your browser doesn’t support HTML5
পরমাশিষ ঘোষ রায়ের রিপোর্ট বসু
উল্লেখ করা যেতে পারেঅনিল বসু সর্বপ্রথম রাজ্যের হুগলি জেলার আরামবাগ লোকসভা কেন্দ্র থেকে জিতে তিনি সংসদে পা রাখেন। সেটা ছিল ১৯৮৪ সাল। এরপর টানা ৬ বার ওই লোকসভা কেন্দ্র থেকেই তাঁকে প্রার্থী করে কমিউনিস্ট পার্টি মার্ক্সবাদী। এবং সেখান থেকেই জয়ী হয়ে লোকসভায় গিয়েছেন হুগলির এই বাম নেতা। প্রসঙ্গত বলা যেতে পারে, যতদিন তিনি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেছেন কখনই হারের সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁকে। ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক ভোটে জিতেছিলেন অনিলবসু। ওই বছর আরামবাগের সিপিএম প্রার্থী অনিল বসুর সঙ্গে নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বীর ভোটের ব্যবধান ছিল ৫ লাখ ৯২ হাজার ৫০২। যা কোনও রাজ্যে তো বটেই দেশেও সর্বোচ্চ। অনিল বসুর সেই রেকর্ড এখনও অক্ষত। শেষ লোকসভা নির্বাচনে ভদোদরা আসন থেকে ৫ লাখ ৭০ হাজারেরও বেশি ভোটে জিতেছিলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তবুও তিনি ছুঁতে পারেননি অনিল বসুর রেকর্ড।