অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ঢাকাসহ সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু


ঢাকাসহ সারাদেশে গণটিকাদান কর্মসূচি শুরু

মানুষের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব আর নানা সংশয়। এর মাঝেই উদ্বোধন করা হয়েছে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি। মন্ত্রী, এমপি, বিচারপতি, সচিব, পুলিশ, চিকিৎসকসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ এই টিকাদান কর্মসূচিতে অংশ নেন।

মানুষের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব আর নানা সংশয়। এর মাঝেই উদ্বোধন করা হয়েছে দেশব্যাপী গণটিকাদান কর্মসূচি। মন্ত্রী, এমপি, বিচারপতি, সচিব, পুলিশ, চিকিৎসকসহ সমাজের নানা স্তরের মানুষ এই টিকাদান কর্মসূচিতে অংশ নেন। শুক্রবার ও সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন নির্ধারিত কেন্দ্রে টিকা দেয়া হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক রোববার সকালে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

please wait

No media source currently available

0:00 0:02:36 0:00
সরাসরি লিংক

ঢাকাসহ সারাদেশের এক হাজার ৫টি হাসপাতালে এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। মানুষের মধ্যে আগ্রহ থাকলেও 'দেখি না কি হয়', এমন মনোভাবের কারণে অনেকেই ভ্যাকসিন নিতে আসেননি। আবার কেউ কেউ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয় কিনা সেটাও দেখতে চান।

রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে সারা দেশের চিত্র একই। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা আশা করছেন, ধীরে ধীরে পরিস্থিতি পাল্টে যাবে। মানুষজন টিকা দেয়ার ব্যাপারে আগ্রহী হবেন। এ পর্যন্ত চার লাখ মানুষ রেজিস্ট্রেশন করলেও টিকা কেন্দ্রে উপস্থিতি আশাব্যঞ্জক ছিল না। জনসাস্থ্য বিজ্ঞানীরা এজন্য কয়েকটি সমস্যা চিহ্নিত করেছেন। তারা বলছেন, নিবন্ধনে সমস্যা, দুর্বল প্রচারণা এবং ভ্যাকসিন সম্পর্কে ভুল তথ্য ও কার্যকারিতা নিয়ে মানুষের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। যে কারণে মানুষ আগ্রহী হচ্ছে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও সকলকে মাস্ক পড়ার প্রতি গুরুত্ব দেন
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক ভ্যাকসিন নেওয়ার পরেও সকলকে মাস্ক পড়ার প্রতি গুরুত্ব দেন


অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করেও অনেকে মোবাইল ফোনে কোনো বার্তা পাননি। তাছাড়া কেউ কেউ টিকা নিরাপদ কিনা এ নিয়েও বিভ্রান্তির মধ্যে রয়েছেন। আবার অনেকে মনে করেন, দেশে যেহেতু করোনা নিয়ন্ত্রণ হয়ে গেছে সেজন্য খালি খালি বিপদ ডেকে আনবো কেন! স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, এগুলো অপপ্রচার। এর কোনো ভিত্তি নেই। প্রথম দফায় যে ৫৬৭ জনকে টিকা দেয়া হয়েছিল তারা সবাই সুস্থ আছেন। বড় ধরনের কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হয়নি। এ সম্পর্কে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেছেন, জীবন রক্ষার্থে এই ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে। সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা এই ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। কাজেই এ নিয়ে কোনো সমালোচনা করবেন না।

ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৫ লাখ মানুষকে টিকা দেয়ার কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে তিন কোটি ডোজ টিকা আসার কথা রয়েছে । স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, কোভ্যাক্স থেকে ৬ কোটি ডোজ টিকা পাওয়া যাবে। প্রথম পর্যায়ে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫৫ বছরের বেশি বয়সী ও নির্দিষ্ট কিছু পেশার সবাইকে এই টিকা দেয়া হবে।

ওদিকে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় শনাক্ত হয়েছেন ২৯২ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত হলেন ৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬২জন। ঢাকা থেকে মতিউর রহমান চৌধুরী

XS
SM
MD
LG