অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বৈঠকে যোগ না দেয়ার হুমকি বৃদ্ধি উত্তর কোরিয়ার


도널드 트럼프 미국 대통령과 김정은 북한 국무위원장.

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকে যোগ না দেওয়ার যে হুমকি উত্তর কোরিয়া দিচ্ছে , তাতে নতুন করে এই সন্দেহ দানা বেঁধে উঠেছে যে পরমাণু অস্ত্র নিরোধের ব্যাপারে কোন চুক্তি সম্ভব কী না। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং ঊন ১২ ই জুন সিংগাপুরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে রাজি হন যাতে করে উত্তর কোরিয়াকে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে দেশটিকে অব্যাহতি দেওয়ার বিনিময়ে তার পরমাণু কার্যক্রম বন্ধ করার ব্যাপারে একটা সমঝোতা হয়। কিন্তু আজ উত্তর কোরিয়ার উপ-পররাষ্ট্র মন্ত্রী কিম কিয়ে কোয়ান , রাষ্ট্র পরিচালিত বার্তা সংস্থার মাধ্যমে এক বিবৃতি প্রকাশ করেন যাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বল্টনের, কিমের ভাষায় লাগামহীন মন্তব্যের সমালোচনা করা হয়। মি বল্টন দাবি করেছিলেন যে পিয়ংইয়ংকে কোন রকম ক্ষতিপুরণ বা ছাড় দেবার আগে তাকে তার ব্যালিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্র কর্মসূচি এবং রাসায়নিক অস্ত্র ভান্ডারসহ সব রকমের পরমানু অস্ত্র সম্ভার সম্পুর্ণ বন্ধ করে দিতে হবে। উত্তর কোরিয়ার এই সাংঘর্ষিক অবস্থান সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া খুব সতর্কতার সঙ্গে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। উত্তর কোরিয়ার উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের এই আপোষহীন অবস্থানে তাঁর ক্ষোভ প্রকাশ করেন এবং বলেন যে ট্রাম্প প্রশাসন সংলাপের মাধ্যমে সম্পর্ক উন্নয়নে আন্তরিকতার সঙ্গে এগিয়ে না আসলে , উত্তর কোরিয়া ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক থেকে বেরিয়ে আসবে। উপ পররাষ্ট্র মন্ত্রী আরও বলেন যে এটা একেবারেই উদ্ভট ব্যাপার যে বল্টন লিবিয়ার প্রাথমিক পর্যায়ের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করানোর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার অনেক বেশি আধুনিক এবং বিস্তারিত এই কর্মসূচির তূলনা করেছেন। আরও পরমাণু ও ক্ষেপনাস্ত্র পরীক্ষা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত কিম জং ঊনের উদারতার এই নিদর্শনকে ভুল ভাবে দেখার জন্য তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের নিন্দে করেন।

XS
SM
MD
LG