অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ডে বৈধ হলো গাঁজা


ব্যাংককে সংবাদ সম্মেলনে গাঁজার তেলের শিশি প্রদর্শন করছেন থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল। (ছবি- সাকচাই লালিত/ এপি)

এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে গাঁজার ব্যবহার বৈধ ঘোষণা করেছে থাইল্যান্ড। মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) এই ঘোষণা দেওয়া হয়। তবে নিছক বিনোদনের উদ্দেশ্যে গাঁজা সেবন করা যাবে কি না তা কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলেননি।

থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বোর্ড মন্ত্রকের নিয়ন্ত্রিত মাদকদ্রব্যের তালিকা থেকে গাঁজা বাদ দেওয়ার অনুমোদন দিয়েছে।

সংবাদ সংস্থা দ্য অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসকে পুলিশ ও আইনজীবীরা জানান, ব্যক্তি পর্যায়ে গাঁজার সংরক্ষণ আর গ্রেপ্তারযোগ্য অপরাধের মধ্যে পড়বে কি না, তা এখনো অস্পষ্ট। গাঁজার বিনোদনমূলক ব্যবহারের বৈধতা নিয়ে অস্পষ্টতা থাকলেও , এই সংশ্লিষ্ট আইনগুলো থেকে বোঝা যাচ্ছে যে, আপাতত শুষ্ক এলাকায় গাঁজার উৎপাদন এবং সংরক্ষণ নিয়ন্ত্রিতই থাকবে।

চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহার ও গবেষণার জন্য ২০২০ সালে এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে থাইল্যান্ড গাজাকে বৈধতা দেয়।

২০২০ সালের সংশোধনী অনুযায়ী নিয়ন্ত্রিত মাদকের তালিকার “ক্যাটাগরি ৫” থেকে গাঁজা গাছ বাদ দেওয়া হয়। কিন্তু এর বীজ আর কুঁড়ি নেশাদ্রব্য হিসেবে ব্যবহৃত হয় বলে এগুলোকে তালিকায় রেখে দেওয়া হয়। বর্তমানে ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্টেশন (এফডিএ) সম্পূর্ণ উদ্ভিদটিকে তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার প্রস্তাব বাস্তবায়ন করেছে।

থাইল্যান্ডের জোট সরকারের বৃহৎ অংশীদার ভিমজাই থাই পার্টির নেতা স্বাস্থ্যমন্ত্রী আনুতিন গাঁজার বৈধকরণের পেছনে বিরাট ভূমিকা রেখেছেন। কৃষকদের সহায়তার উদ্দেশ্যে গাঁজা উৎপাদনের বৈধকরণের পক্ষে ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে তিনি প্রচারণা চালান।

বুধবার তার পার্টি ঘোষণা দেয় যে, গাঁজার আইনি অবস্থান স্পষ্ট করার উদ্দেশ্যে তারা সংসদে গাঁজা আইনের খসড়া উত্থাপন করবে।

XS
SM
MD
LG