অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

কলকাতা থেকে বাংলাদেশি কূটনীতিক প্রত্যাহার


মুহাম্মদ সানিউল কাদের। (ছবি- কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-দূতাবাস)

অনৈতিক কাজের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জেরার মুখে পড়েছেন বাংলাদেশি কূটনীতিক মুহাম্মদ সানিউল কাদের। তিনি কলকাতাস্থ বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) হিসেবে প্রায় দুই বছর কর্মরত ছিলেন। সানিউল কাদের বিসিএস ৩০তম ব্যাচের ইকনোমিক ক্যাডারের কর্মকর্তা। কয়েক বছর ধরে ডেপুটেশনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কাজ করছেন।

গত ২৬শে জানুয়ারি তাকে কলকাতার ঐ দপ্তর থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানতে চাইছে, সানিউলের সঙ্গে এই তরুণীর সম্পর্ক কি এবং এটার সত্যতা কতটুকু। দু'দিন জেরার পর তার চাকরি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তদন্ত করে দেখবে। ঐ তরুণীর নাম আলিশা মেহমুদ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা এ সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি নন। তারা শুধু বলছেন, তদন্ত চলছে।

কলকাতাস্থ বাংলাদেশ মিশনের ডেপুটি হাইকমিশনার তৌফিক হোসেন সংবাদ মাধ্যমের কাছে সানিউল কাদেরের কথিত সেক্স চ্যাট ফাঁস হওয়ার খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন। সানিউল কাদেরকে প্রত্যাহারের আগে ভারত সরকারকে দু' লাইনের একটি বার্তা পাঠানো হয়। দিল্লির বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে বলা হয়, একান্ত ব্যক্তিগত কারণে কলকাতার বাংলাদেশ উপ-দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি (পলিটিক্যাল) সানিউল কাদেরকে ঢাকায় ফেরত পাঠানো হয়েছে। ঢাকায় নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। আসলে কি ঘটেছিল তা তদন্তে বের হয়ে আসবে। তিনি বলেন, সানিউল হ্যানি ট্র্যাপের শিকার কিনা সেটাও তদন্ত করে দেখা হবে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৮-এর শুরুতে আসামের গোহাটিতে কর্মরত সহকারী হাইকমিশনার কাজী মুনতাসির মুর্শেদের বিরুদ্ধে এক ভারতীয় তরুণীকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছিল। তাৎক্ষণিকভাবে সেই কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

XS
SM
MD
LG