অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

ইরানকে নিষেধাজ্ঞায় ছাড় দিল যুক্তরাষ্ট্র; পরমাণু বিষয়ক আলোচনায় এখনও অনিশ্চয়তা


ফাইল - ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরের ঠিক বাইরে, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লি ভবনের সামনে একজন কর্মী সাইকেল চালাচ্ছেন।২৬ অক্টোবর ২০১০।
ফাইল - ইরানের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর বুশেহরের ঠিক বাইরে, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চুল্লি ভবনের সামনে একজন কর্মী সাইকেল চালাচ্ছেন।২৬ অক্টোবর ২০১০।

বাইডেন প্রশাসন শুক্রবার ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচির জন্য কিছু কিছু নিষেধাজ্ঞা ছাড় পুনর্বহাল করেছে। ২০১৫ সালে হওয়া পরমাণু চুক্তিটি পুনরুদ্ধার করতে চলমান আলোচনা বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্বে প্রবেশ করেছে।

যখন যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা ভিয়েনায় আলোচনাটির একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ পর্বে অংশগ্রহণ করছেন, তখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন ইরানের বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচি সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা ছাড়ে স্বাক্ষর করেন। এর ফলে এই ছাড়গুলো বাতিলের ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসল যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানকে ২০১৫ সালের চুক্তিটিতে ফিরে আসতে উৎসাহ প্রদানের উদ্দেশ্যে ছাড়গুলো দেওয়া হল। সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিয়ে নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল করার পর থেকে, ইরান চুক্তিটি অমান্য করে চলেছে। ইরানের দাবি যে, তারা চুক্তিটি অমান্য করছে কারণ যুক্তরাষ্ট্রই আগে তা থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। চুক্তি পুনরায় মান্য করতে তাতে থাকা সকল নিষেধাজ্ঞা ছাড় প্রত্যর্পণের দাবি করেছে ইরান।

শুক্রবারের এই পদক্ষেপের ফলে অন্যান্য দেশ এবং রাশিয়া, চীন ও ইউরোপের বিদেশী কোম্পানীগুলোর জন্য নিষেধাজ্ঞা হুমকি আর থাকল না। ২০১৫ সালের চুক্তিটির আওতায় ঐ দেশ ও কোম্পানীগুলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচির জন্য বেসামরিক যন্ত্রাংশ বিষয়ে সহায়তা করছিল। চুক্তিটি জয়েন্ট কম্প্রিহেনসিভ প্ল্যান অফ অ্যাকশন বা জেসিপিওএ নামে পরিচিত।

ট্রাম্প প্রশাসন ২০২০ সালের মে মাসে ইরানের বিরুদ্ধে “সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগের” অংশ হিসেবে ঐ বেসামরিক পরমাণু বিষয়ক ছাড়গুলো বাতিল করে। ট্রাম্প চুক্তিটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নিলে এমন চাপ প্রয়োগের ধারা শুরু হয়। ট্রাম্প অভিযোগ করেছিলেন যে চুক্তিটি সর্বকালের সবচেয়ে খারাপ কূটনৈতিক চুক্তি যা ইরানকে একটি পারমাণবিক বোমা তৈরির পথ খুলে দিয়েছিল।

XS
SM
MD
LG