অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আইএস ও ইরান নিয়ে বাইডেনের সঙ্গে ইসরাইলের নেতার আলোচনা


ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট তার দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে ভাষণ দিচ্ছেন, ২রা জানুয়ারী, ২০২২, ছবি/এপি

সিরিয়ায় গত সপ্তাহে এক হামলায় ইসলামিক স্টেটের (আইএস) এক নেতার মৃত্যুতে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বলে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে।

জো বাইডেনের সঙ্গে এক ফোনালাপে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেত বলেন, “বিশ্ববাসী এখন আরেকটু নিরাপদ হলো। নিরাপত্তা বাহিনীর সাহসী অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ধন্যবাদ”।

বিবৃতিতে বলা হয়, ফোনালাপে বেনেত এবং জো বাইডেন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের সামরিক কার্যক্রম এবং দেশটির পারমাণবিক কার্যক্রম বন্ধের বিষয়ে আলোচনা করেন।

ইসরাইল ও ইরান পরস্পরের চরম শত্রু। ইসরাইল একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক জোটের সঙ্গে ইরানের ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তির পুনপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ২০১৮ সালে চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে নেওয়ার পর এটি ভেস্তে যায়। প্রথম চুক্তিটির ব্যাপারে আপত্তি ছিল ইসরাইলের। দেশটির ধারণা ওই চুক্তিতে প্রত্যর্পণ করলেও ইরানকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখা সম্ভব হবে না। ইসরাইল আরও বলে, ইরান থেকে ইসরাইলে আঘাত করতে সক্ষম এরকম দুরপাল্লার কোনো ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত করাসহ মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের যেকোনো ধরনের সামরিক কার্যক্রম নিয়ে এই চুক্তিতে উল্লেখ থাকতে হবে।

বেনেত রবিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) বলেন, ইসরাইল ভিয়েনাতে আন্তর্জাতিক নেতাদের সঙ্গে ইরানের আলোচনা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে। ওই দুই পক্ষ কোনো মতৈক্যে পৌঁছালেও ইসরাইল সেটা মানতে বাধ্য নয় বলেও জোর দেন তিনি। ইসরাইল বারবার ইরানে হামলার হুমকি দিয়ে আসছে। তাদের মতে এতে করে ইরানের অস্ত্র কার্যক্রমের লাগাম টেনে ধরা যাবে। যদিও ইরান বারবারই বলে আসছে তারা শান্তিপূর্ণ কাজের জন্যেই এই পরমাণু কার্যক্রম চালাচ্ছে।

“যারা মনে করেন এ ধরনের চুক্তির ফলে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠিত হবে এটা তাদের ভ্রান্ত ধারণা”, রবিবার সকালে মন্ত্রিসভায় বলেন বেনেত। “চুক্তি থাকুক না থাকুক, যেকোনো পরিস্থিতিতে যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার অধিকার রয়েছে ইসরাইলের”।

XS
SM
MD
LG