অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

সৌদি বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার চেষ্টার নিন্দা জানালো যুক্তরাষ্ট্র


সৌদি আরবের আভার কাছে একটি বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের ছবি দেখা যাচ্ছে। ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২২।
সৌদি আরবের আভার কাছে একটি বিমানবন্দরে হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিমানের ছবি দেখা যাচ্ছে। ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২২।

হোয়াইট হাউজের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সালিভান, ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের দ্বারা বৃহস্পতিবারে সৌদি আরবের আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ড্রোন হামলা চেষ্টার নিন্দা জানিয়ে বলেন যে, আন্তর্জাতিক মিত্ররা বিদ্রোহীদের এই ঘটনার জন্য জবাবদিহিতার সম্মুখীন করবে।

আকাশসীমা রক্ষাব্যবস্থা বৃহস্পতিবার একটি ড্রোনকে ধ্বংস করলে, সেটির বিক্ষিপ্ত অংশ বিদ্ধ হয়ে বিমানবন্দরটিতে বারো জন আহত হন বলে, সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানিয়েছে। জোটটি ২০১৫ সাল থেকে গোষ্ঠীটির সাথে লড়াই করছে। সে সময়ে গোষ্ঠীটি ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করেছিল।

হামলার ঘটনার কয়েক ঘন্টা পর গোষ্ঠীটি এই হামলার দায় স্বীকার করেছে।

হোয়াইট হাউজের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সালিভান বলেন, “তাদেরকে জবাবদিহিতার সম্মুখীন করতে আমরা আমাদের সৌদি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিদের সাথে কাজ করব।” সেখানে আরও বলা হয়, “যেমনটি প্রেসিডেন্ট গতকাল বাদশা সালমানকে বলেছেন, সৌদি আরবের জনগণ ও ভূখন্ডকে এ ধরণের হামলা থেকে রক্ষায় সহযোগিতা করতে আমরা প্রতিশ্রতিবদ্ধ।”

যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল ফ্র্যাঙ্ক ম্যাকেনজি সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থান করছেন। দেশটি বিদ্রোহীদের দ্বারা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার পর, সেখানে তিনি তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করতে সহায়তা করছেন। জেনারেল ম্যাকেনজি মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকান বাহিনীগুলোকে তত্ত্বাবধানকারী ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন।

ইতোপূর্বে এই সপ্তাহে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ম্যাকেনজি বলেন, ইয়েমেনে যুদ্ধক্ষেত্রে বাধা পাবার কারণে হয়ত বিদ্রোহীরা ইউএই’র রাজধানী আবু ধাবিতে সাম্প্রতিক আক্রমণগুলো চালিয়েছে, যেখানে একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে যেটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারাও অবস্থান করছে।

যুদ্ধটি হুতিদের সরকারী বাহিনীর মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে। সরকারী বাহিনীটি সৌদি আরব এবং একটি আরব জোট সমর্থিত, যেই জোটের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতও রয়েছে। সংঘাতটিতে ইয়েমেনের হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার ফলে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়গুলোর একটি সৃষ্টি হয়েছে।

XS
SM
MD
LG