অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

আফ্রিকার ছয়টি দেশ টীকা উত্পাদনে তালিকভুক্ত; স্বাগত জানিয়েছে নাইজেরিয়া


ফাইল - কেনিয়ার নাইরোবির স্বল্প-আয়ের কিবেরার আশেপাশে একজন নার্স দ্বিতীয় এবং বুস্টার ডোজ টিকা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন৷ ২০ জানুয়ারি ২০২২।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঘোষণা অনুযায়ী, আফ্রিকার প্রথম কোভিড-১৯ টীকা তৈরির প্রযুক্তি গ্রহণকারী দেশ হতে যাচ্ছে নাইজেরিয়া। দেশটির কর্মকর্তারা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এ ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছে।

শুক্রবার ডব্লিউএইচও বলেছে যে, মিশর, কেনিয়া, সেনেগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং তিউনিসিয়াকেও কোভিড এবং অন্যান্য রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার উদ্দেশ্যে আফ্রিকার নিজস্ব টীকা তৈরির কার্যক্রম জোরদার করার অংশ হিসাবে বেছে নেয়া হয়েছে।

ডব্লিউএইচওর প্রধান টেড্রোস আধানুম ঘেব্রেইসাস বলেছেন, আফ্রিকায় এমআরএনএ টীকার উৎপাদন টীকার অসমতার সমস্যা দূর করবে।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, ১২০ কোটিরও বেশি লোকের আবাসস্থল আফ্রিকার শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি মানুষ এখনো করোনা টীকার একটি ডোজও পায়নি।

আফ্রিকার সবচেয়ে জনবহুল দেশ নাইজেরিয়ার কর্মকর্তারা ডব্লিউএইচওর ভ্যাকসিন উৎপাদন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে।দেশটির জনসংখ্যার মাত্র ছয় শতাংশকে টীকা দেয়া হয়েছে।

নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্টের নতুন মিডিয়া সহকারী বশির আহমেদ একটি টুইট বার্তায় বলেছেন, " আফ্রিকার অন্যতম একটি দেশ নাইজেরিয়াকে কোভিড-১৯ টীকা তৈরির ঘাঁটি হিসেবে মনোনীত করার সিদ্ধান্তকে প্রেসিডেন্ট স্বাগত জানিয়েছেন।"

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর ফার্মাসিউটিক্যাল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা বিশেষজ্ঞ কুনলে আদেবায়ো বলেছেন, নাইজেরিয়ায় ভ্যাকসিন তৈরি করার ফলে কোভিড-১৯ টীকার ব্যবহার এবং গ্রহণযোগ্যতা আরও বৃদ্ধি পাওয়া উচিত।

তবে প্রাথমিক অবস্থায় কিছু চ্যালেঞ্জও থাকতে পারে বলে আদেবায়ো মনে করেন ।

তিনি বলেন,"যে প্রযুক্তিটি প্রয়োগ করা হবে তা এখনও তুলনামূলকভাবে নতুন এবং এক অর্থে এখনও এটির কাজ চলছে ।" তিনি আরও বলেন, " বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে.... এছাড়াও সাধারণ অবকাঠামোগত চ্যালেঞ্জগুলোও থাকতে পারে যা আমরা বেশিরভাগ মহাদেশে মোকাবেলা করি।"

গত বছর নিম্ন ও মাঝারি আয়ের দেশগুলোতে ভ্যাকসিন নির্মাতাদের সহায়তা করার জন্য গ্লোবাল এমআরএনএ প্রযুক্তি কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।

ডব্লিউএইচও জানিয়েছে, অন্যান্য ওষুধ এবং ডায়াগনস্টিকসের জন্য কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।

XS
SM
MD
LG