অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

বাংলাদেশে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের কর্মক্ষেত্রে নিয়োগ নয়— মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত


শিশু শ্রমিক। (ছবি- ইউএনবি)
শিশু শ্রমিক। (ছবি- ইউএনবি)

বাংলাদেশে ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের কোনো কাজে নিয়োগ দেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রিসভা। সোমবার (২৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভায় আইএলও কনভেনশন-১৩৮ প্রস্তাবে সম্মত হওয়ার মধ্য দিয়ে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভার্চ্যুয়াল উপিস্থিতিতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি অনুমোদন করা হয়। মন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বৈঠকে অংশ নেন।

আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও) অনুসারে সদস্য দেশগুলোতে যে কোনো ধরনের চাকরি বা কাজে যোগ দেওয়ার ন্যূনতম বয়স ১৫ বছর এবং যেসব সদস্য রাষ্ট্রের অর্থনীতি ও শিক্ষার সুবিধা অপর্যাপ্ত সেসব দেশে এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বয়স ১৪ বছর বলা হয়েছে।

বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, “মন্ত্রিপরিষদ বাংলাদেশের জন্য ১৪ বছর বয়সসীমা উপযুক্ত বলে গণ্য করেছে। যেকোনো দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে এ বয়সসীমা সর্বনিম্ন ১৪ বছর পর্যন্ত কমানো যেতে পারে, তবে এর কম নয়।”

তিনি বলেন, “আইএলও কনভেনশন-১৩৮ বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। কেননা বিশ্বের ১৮৯টি দেশের মধ্যে ১৭৩টি দেশ এটিকে সমর্থন করেছে।”

আনোয়ারুল ইসলাম আরও বলেন, “সাধারণত প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করতে ১৫ বছর সময় লাগে। তাই ১৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে কাজে লাগানো যাবে না।”

তবে শিশুরা ১৪ বা ১৫ বছর বয়সী হোক না কেন, কোনো অবস্থাতেই কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক কাজ তাদের দিয়ে করানো যাবে না বলে জানান তিনি।

১৪ বা ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুকে কেউ নিয়োগ দিলে তার শাস্তি কী হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “শ্রম আইন অনুযায়ী এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বৈঠকে রপ্তানি নীতি ২০২১-২০২৪, বঙ্গবন্ধু পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় নওগাঁ আইন-২০২২ এবং ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

XS
SM
MD
LG