অ্যাকসেসিবিলিটি লিংক

১০ লাখেরও বেশি শরণার্থী ইউক্রেন থেকে পালিয়ে যাওয়ায় পোল্যান্ড চাপের মুখে


পোল্যান্ডের প্রজেমিসলের স্টেশনে ইউক্রেন থেকে আসার পর ট্স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে বাস্তুচ্যুত ইউক্রেনীয়রা দাঁড়িয়ে আছেন। ৩ মার্চ ২০২২।

লিভিভ থেকে আসা ট্রেনটি পোলিশ সীমান্ত পেরিয়ে যাওয়ার সময়, শিশুরা জানালা দিয়ে উঁকি দেয়, পেছনে ফেলে আসা ভয়াবহতার কারণে তাদের কৌতূহল ম্লান হয় না।

আছে শুধু নারী ও শিশু। তারা তাদের স্বামী, তাদের বাবা, তাদের ছেলেদের রেখে গেছেন ইউক্রেনে। লড়াই করার জন্য পুরুষদের থাকতে হবে। বিচ্ছেদের বেদনা প্রতিটি মুখেই লেপ্টে আছে।

আনাস্তাসিয়া(ছদ্মনাম) তার ছেলে ও মেয়ের সাথে কিয়েভের বাড়ি থেকে পালিয়ে গেছেন। পরিবারটি লিথুয়ানিয়া পৌঁছানোর আশা করছে।

"আমরা এগিয়ে যাবো। আমরা এর মধ্য দিয়ে যাব," কাঁদতে কাঁদতে বলছিলেন তিনি। "আমি আশা করি সবকিছু ঠিকঠাক শেষ হবে এবং আমাদের ইউক্রেন জিতবে। আমি ফিরতে চাই। আমি বাড়ি যেতে চাই।"

প্রতিটি পরিবারের একই রকম ক্ষতি এবং ভয়ের গল্প রয়েছে।

রাশিয়ার আগ্রাসনের প্রথম সপ্তাহে ১০ লাখেরও বেশি ইউক্রেনিয়ান দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। জাতিসংঘের মতে, ৫ লাখেরও বেশি মানুষ পোল্যান্ডে পাড়ি দিয়েছে। আরও ১০ লাখ ইউক্রেনের অভ্যন্তরে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ইইউ ধারণা করছে যে, আগামী সপ্তাহগুলোতে ৭০ লাখ ইউক্রেনিয়ান দেশত্যাগ করতে পারে।

পোল্যান্ডে ইতোমধ্যেই অনেক আশ্রয়প্রার্থী রয়েছে এবং অনেক শরণার্থী বন্ধু বা পরিবারের সাথে থাকছে, যা কর্তৃপক্ষের ওপর চাপ কমাতে সাহায্য করেছে। অন্যদের স্কুল, হোটেল এবং গুদামে স্থাপিত আশ্রয়কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

কিন্তু এটাই সম্পূর্ণ চিত্র নয়। অনেক ইউক্রেনে যুদ্ধ করতে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে।

"এটি একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া," বলে জানান ভিক্টর যিনি তাঁর পুরো নাম দিতে চাননি। "আমরা (রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির) পুতিনকে পরাজিত করবো এবং সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। রাশিয়ান ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যানগুলোকে আমরা সোজা নরকে পাঠাব।"

XS
SM
MD
LG